
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার বসতবাড়িতে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার মজুত করে রেখেছিল। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত সত্যতা পেয়ে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন। এতে দলের আদর্শ পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায়, কেন্দ্রের এক জরুরি বৈঠকে তার (মনিরুল ইসলাম) রুকনিয়াত বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন আমিরে জামায়াত মাওলানা ডা. শফিকুর রহমান। এই রুকনিয়াত বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ায় মনিরুল ইসলামের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই। এখন থেকে তার ব্যক্তিগত বক্তব্য, কার্যক্রম বা কর্মকাণ্ডের দায়-দায়িত্ব সংগঠন বহন করবে না।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাত একটার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোটো ধোপাকান্দি এলাকায় উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।
এ সময় মনিরুল ইসলামের বসতবাড়ি থেকে ৫০ কেজি ওজনের ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ ও ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। তবে ওই সময় মনিরুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) একজন ডিলার। গত দুই বছর যাবৎ সরকারের নির্ধারিত মূল্য ও নীতিমালা অনুযায়ী সার বিক্রয় করে আসছেন। কিন্তু সম্প্রতি সারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় নিজের জমি ও স্থানীয় কিছু প্রান্তিক কৃষকের জন্য সারগুলো নিজ বাড়িতে মজুত করেছিলেন।
জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম বলেন, মনিরুল ইসলাম কামারখন্দ উপজেলা শাখার নায়েবে আমির ছিলেন। তিনি সংগঠনের রীতিনীতি ও নৈতিকতার পরিপন্থি কাজে জড়িয়ে পড়েছেন। এ কারণে আমিরে জামায়াতের সিদ্ধান্তে তার রুকনিয়াত বাতিল করা হয়েছে।
এদিকে মনিরুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি তার রুকনিয়াত বাতিল হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মুঠোফোনে বিষয়টি জানানো হয়েছে। হয়ত দুই-এক দিনের মধ্যেই সেটার লিখিত পত্র হাতে পাবো।