শনিবার- ২৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ -১৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাগমারার সেই গফুর কম্পাউনডারকে দেখতে গেলেন এমপি এনামুল হক

বাগমারার সেই গফুর কম্পাউনডারকে দেখতে গেলেন এমপি এনামুল হক

রাজশাহী থেকে নাজিম হাসান:
সেই আশির দশকের আগের কথা রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
তখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। উপজেলা সদর ভবানীগঞ্জে কয়েকটি টিনসেড ঘরে স্বাস্থ্য কেন্দ্র খুলে সেখানে সরকারি ভাবে গোটা উপজেলাবাসীর স্বাস্থ্য সেবা দেয়া হয়। এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একজন ডাক্তার ও একজন কম্পাউনডার মিলে উপজেলাসাবীর স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছেন যুগ যুগ ধরে। তাদেরই একজন হলেন খন্দকার আব্দুল গফুর। যিনি উপজেলা সহ আশপাশের এলাকায় গফুর কম্পাউনডার নামে সর্বাধিক পরিচিত। তখন এত ওষধ ও ডাক্তারের ছড়াছড়ি ছিল না। রোগ বালাই হলে মানুষ ছুটে আসত ভবানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। এখানে বিদেশ থেকে ওষধের নানান রংগের কাচামাল আসত। এসব দিয়েই সিরাপ বানিয়ে দিতেন গফুর কম্পাউনডার। রোগিরা বাড়ি থেকে বোতল শিশি এনে সিরাপ নিয়ে তা খেয়ে ভাল হত রোগবালাই। তারা দোয়া করত গফুর কম্পাউনডারের জন্য। আজ এই গফুর কম্পাউনডার রোগ শয্যায়। নব্বইয়ের কোঠা পার করে ভবানীগঞ্জ বাজারের নিজ বাড়িতে বার্ধক্যজনিত নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি দীর্ঘদিন থেকে শয্যাগত। ১৯৯০ সালে তিনি চাকুরী থেকে অবসর গ্রহন করেন। গফুর কম্পাউনডারের এমন রোগ শয্যায় থাকার বিষয়টি জানতে পেয়ে গতকাল রবিবার ফজরের নামাজ পড়ে এমপি এনামুল হক ছুটে আসেন ভবানীগঞ্জ বাজারে। তিনি গফুর কম্পাউনডারের বাড়িতে গিয়ে কিছু সময় কাটান ও তাঁর চিকিৎসার বিষয়ে খোজখবর নেন। এময় তিনি গফুর কম্পাউনডারের সুচিকিৎসা ও অন্যান্য সেবা যত্নের জন্য কিছু আর্থিক অনুদান প্রদান করেন ও প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় এমপি এনামুল হক গফুর কম্পাউনডারের চিকিৎসা সেবা পাওয়ার বিষয়ে অতীতের স্মৃতিচারন করে বলেন, আমি সহ আমার পুরো পরিবারের চিকিৎসা সেবা দিতেন গফুর কম্পাউনডার। তাঁর হাতের তৈরি সেই সুস্বাদু সিরাপ খেয়ে সবার রোগ বালাই ভাল হত। আল্লাহ ওনাকে সুস্থতা দান করুন। সবার কাছে সেই দোয়া কামনা করছি।

৯১ বার ভিউ হয়েছে
0Shares