👁 399 Views

পরকীয়া প্রেমিকার ঘরে আটক এনামুল  হাজীর বিষয়টি মোটা অংকের টাকায় রফাদফা

 পলাশবাড়ী( গাইবান্ধা) সংবাদদাতাঃ সাদুল্লাপুর উপজেলার  ইদিলপুর রাঘবিন্দুপুর লালদিঘী গুচ্ছ গ্রামে অনৈতিক কাজ করতে এসে এক নারী সহ জনতার হাতে আটক জয় জীবনপুর গ্রামের আলহাজ্ব এনামুল ইসলাম।
 ৫ জুলাই  বুধবার গন ধোলাই এমন পেক্ষাপটে হাজী সাহেব ঐ নারীকে বিয়ে করতে সম্মত হয়, কিন্ত একটি মহল এনামুল হাজী সাহেবের প্রথম স্ত্রীর নিকট মোটা অংকের টাকা নিয়ে জনতার কাছ থেকে আটককৃত হাজী সাহেব কে জোরপুর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তাদের চেষ্টা রুখে দেয় স্হানীয় জনতা।
ঐ মহলটি উপায়ন্তর না পেয়ে কৌশল পাল্টায় তখন কারসাজি করে ঐ নারীর স্বামী খাইরুল ইসলাম কে হাত করে নেয় মোটা অংকের টাকার লোভ দেখিয়ে সামান্য ১৫ হাজার টাকা তার হাতে গুটিয়ে দিয়ে বলে বাকিটা পরে দেওয়া হবে, তুমি আপাতত বলো আমি আমার স্ত্রী কহিনুর কে নিয়েই সংসার করবো কারন আমার দুটো সন্তান আছে।
এমন লোভনীয় অফারে খাইরুল রাজী হলে ঐ মহলটি স্হানীয় কিছু পাতি নেতা কে ম্যানেজ করে রাত ৯ টার দিকে হাজী সাহেব কে নিয়ে কৌশলে চলে যায়।
হাজীর সাথে ঘরের ভিতর আটককৃত কহিনুর বেগমের স্বামী খাইরুল আগে বললো বউ নেবনা পরে আবার রাজী হলো।
বিষয়টি কেমন হলো আর কি বুঝলেন।
এ দিকে হাজী সাহেব এর আগে গনমাধ্যম কর্মীদের সামনে বলেছেন– কি আর করমো ফেলে দেয়া যাবি আমি বিয়ে করমো, এমনটাই তার স্বীকারোক্তি ছিলো।
  উল্লেখ্য যে -গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সাদুল্যাপুর উপজেলার ইদিলপুর রাঘবেন্দ্রপুর গুচ্ছ গ্রামে এক নারীর ঘরে গোপনে প্রবেশ করে একই এলাকার জীব,নপুর গ্রামের আলহাজ এনামুল  ইসলাম, এমন সময় ঐ নারীর স্বামী ঘরে ফিরলে পিছন দরজা দিয়ে হাজী সাহেব পালানোর সময় পায়ে জুতা না থাকায় প্রতিবেশীরা তাকে আটক করে গনধোলাই শুরু করলে নারী পুরুষ দুজনই স্বীকার করে স্বামী বাড়ীতে না থাকায় দির্ঘদিন থেকে তাদের পরকীয়া প্রেম চলছিলো গোপনে আজ স্বামীর হাতে ধরা খেয়েছে, ঐ এলাকার ইউ,পি সদস্য আমিনুল ইসলাম জানান, হাজী সাহেবের স্ত্রী সন্তান আছে মহিলার ও ২ টি মেয়ে আছে তাই অনেক হিসাব নিসাব চলছে এলাকার লোকজন তাদের বিয়ের দাবী জানিয়েছেন কিন্ত এখানে ২ ভাগ হয়েছে লোকজন কেউ বিয়ে আর কেউ আপোষের পক্ষে এ নিয়ে দেন দরবার শেষে একটি মহল হাজী সাহেব কে নিয়ে চলে গেছে,
শেষমেশ আর বিয়ে বা ন্যায় বিচার হয়নি, যা হয়েছে তা টাকার বিনিময়ে রফাদফা হয়েছে।
এলাকার একাধিক লোকজন বলছেন, এলাকার কিছু লোকজন টাকার কাছে বি্ক্রি হয়ে, এনামুল হাজীর বিষটি ধামাচাপা দিলো,অথচ জনতার হাতে আটক হওয়ার পর দুইজনই বিয়েতে রাজি ছিলো।গ্রামবাসী বলছেন বিচার নাই টাকা হলেই সব মিটমাট হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *