
বার্তা সংস্থা পিপ (পাবনা) : পাবনা শহরের বিশিষ্ট পরিবহন ব্যবসায়ী ও জমিদার আজিম চৌধুরীর বংশধর ফিরোজ চৌধুরী তার নামে মিথ্যে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। রোববার পাবনা প্রেসক্লাবের ভিআইপি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে ফিরোজ চৌধুরি নিজেই এ সব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানান ও দৃষ্ট্রান্তমুলক শাস্তি দাবী করেন।
সংবাদ সম্মেসলনে ফিরোজ চৌধুরী বলেন, সুজানগর উপজেলার চকগোবিন্দপুর মৌজার ডিএস এবং এসএ ১৬ ও ১৭ দাগের খরিদসুত্রে আমরা মালিক। ভ্রমাতœকভাবে এই সম্পত্তি সরকারের মালিকানায় গেলে মামলার মাধ্যমে দোতরফা রায়ে জমিটি ফেরত পান। পরে পুলিশ ও ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে এই জমিটি থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে আমাকে জমিটি বুঝিয়ে দেন। এলাকাবাসির দাবীর পরিপ্রক্ষিতে আমাদের জমি থেকে ৫ শতাংশ জমি মসজিদের জন্য মৌখিক দান করি এবং অন্য জমিতে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দোতালা দোকান নির্মানের উদ্যোগ নেই। এরই মধ্যে এলাকার শরীফ মনিম ওরফে বিদ্যুৎ আমাএক মসজিদের জমি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে এবং চাঁদা দাবী করে। এই শরীফ মনিম ওরফে বিদ্যুৎ বিগত সরকারের সময় অনেক অপরাধমুলক কাজ করে এখনও প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছে।
আমি গত ৬ মে বিকেল ৩টার দিকে উক্ত দোন নির্মাণের অগ্রগতি দেখতে গেলে শরীফ মনিম ওরফে বিদ্যুৎ এর নেতৃত্বে একদল ব্যবাক্তি আমাকে শাররীকভাবে লাঞ্ছিত এবং দোকান ভেঙ্গে ফেলে। এ ছাড়া আমাকে আটকিয়ে রেখে ৩টি নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়।
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমি ২েিট পৃথক মামলা করি। আমি উক্ত শরীফ মনিম ওরফে বিদ্যুৎ ও তার সহযোগিদের শাস্তি দাবী করছি। তিনি আরও বলেন, আমার পুর্ব পুরুষরা কোন সময় খারাপ কাজ করেননি। তারা ধর্মভীরু। আমরা বহু মসজিদ মাদ্রাসা এতিখানা তৈরি করেছি। আমরা সমাজসেবার মাধ্যমে মানুষের উপকার করছি। তাই আজিজম চৌধুরীর বংশধরদের বিরুদ্ধে এ ধরণের অপপ্রচার কোনমতেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিান এ সব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানান ও দৃষ্ট্রান্তমুলক শাস্তি দাবী করেন।