
দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেফতারদের মধ্যে মাদক মামলায় একজন, নিয়মিত মামলায় দুজন এবং গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত তিনজন রয়েছেন।
বুধবার (৪ নভেম্বর ২০২৬) মাদকমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযানে দুপচাঁচিয়া পৌরসভার তিষিগাড়ী এলাকায় সুপ্রিম ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড হসপিটালের সামনে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের পাশ থেকে রেজাউল করিম সবুজ ওরফে বিশু (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি উপজেলার খিহালী উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত ময়েন উদ্দিনের ছেলে। এ সময় তাঁর হেফাজত থেকে ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, বিশেষ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁরা হলেন উপজেলার পশ্চিম আলোহালী গ্রামের জনাব আলীর ছেলে আজম আলী (৪০), টেমা গ্রামের বাবলু প্রামাণিকের ছেলে ওমর ফারুক এবং গয়াবান্ধা (লয়াপাড়া) গ্রামের মৃত শামছুল মোল্লার ছেলে আনোয়ার হোসেন।
এ ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা মামলায় মাসিন্দা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে আব্দুল করিম (২৪) এবং বসতবাড়ির জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিবেশীকে মারধরের ঘটনায় কাটাগাড়ী গ্রামের মৃত জয়নাল সরদারের ছেলে মুনছুর সরদারকে (৪৫) গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনা মামলার আসামি আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নওগাঁ থেকে দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে ট্রাক চালিয়ে দুপচাঁচিয়া পৌরসভার জয়পুরপাড়া মোড় এলাকায় বগুড়াগামী সড়কে জাহাঙ্গীর আলম (৫৬) নামের এক ব্যক্তিকে চাপা দেন। এতে জাহাঙ্গীর আলম গুরুতর আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মারধর মামলার আসামি মুনছুর সরদারকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।