👁 460 Views

পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে পাবনার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য তাঁতশিল্প : সাশ্রয় বিদ্যুৎ উন্নত হচ্ছে কর্মপরিবেশ ও উৎপাদনশীলতা

বার্তা সংস্থা পিপ (পাবনা) : পাবনা বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প অঞ্চল। যুগের পর যুগ ধরে এ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের অসংখ্য মানুষ তাঁতশিল্পের সঙ্গে যুক্ত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ও পুরোনো উৎপাদন পদ্ধতি ব্যবহারের কারণে এ খাতের অনেক কারখানায় কর্মপরিবেশ, জ্বালানি ব্যবহার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ে নানা চ্যালেঞ্জ ছিল।
এই বাস্তবতায় তাঁত শিল্পকে আরও আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই করে গড়ে তুলতে কাজ করছে দেশের অন্যতম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘পাবনা প্রতিশ্রুতি’। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর সহযোগিতায় বাস্তবায়িত সাসটেইনেবল মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ এন্ড রেসিলিয়েন্ট ট্রান্সফরমেশন “স্মার্ট’ প্রকল্পের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে পাবনার ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প।
এই প্রকল্পের আওতায় পাবনা জেলার বিভিন্ন তাঁত ক্লাস্টারে প্রায় ৮০০ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাকে নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। পাবনা সদর, আটঘরিয়া, সাঁথিযা ও সুজানগর উপজেলার জালালপুর, দোগাছী, একদন্ত, পুষ্পপাড়া, সুজানগর ও আতাইকুলাসহ বিভিন্ন তাঁতসমৃদ্ধ এলাকায় প্রকল্পের কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে।
এক সময় এসব এলাকার অনেক তাঁত কারখানায় পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাব, অতিরিক্ত গরম, অধিক বিদ্যুৎ ব্যবহার এবং পরিবেশ ও শ্রমিক নিরাপত্তা বিষয়ে সীমিত সচেতনতা ছিল। এর ফলে শ্রমিকদের জন্য আরামদায়ক ও স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ত। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় জ্বালানি ব্যবহার উৎপাদন ব্যয়ও বাড়িয়ে দিত।
এ সব সমস্যা মোকাবিলায় স্মার্ট প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁত উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের মধ্যে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। বিশেষ করে রির্সোস ইফিসিয়েন্ট এন্ড ক্লনিার প্রোডাকশন (আরইসিপি) পদ্ধতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কম সম্পদ ব্যবহার করে অধিক দক্ষ ও পরিচ্ছন্ন উৎপাদন নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উদ্যোক্তাদের জন্য পরিচ্ছন্ন উৎপাদন, জ্বালানি ও সম্পদ সাশ্রয়, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, ব্যবসায়িক দক্ষতা এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে। প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের ফলে অনেক উদ্যোক্তা এখন নিজ উদ্যোগেই তাদের কারখানায় আরইসিপি পদ্ধতি বাস্তবায়ন করছেন।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, প্রাকৃতিক বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা বা ন্যাচারাল ভেন্টিলেশন, সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার, জ্বালানি সাশ্রয়ী লাইট ব্যবহার, উন্নত ও কার্যকর ফ্যান স্থাপন, পানি ও অন্যান্য সম্পদের সাশ্রয়ী ব্যবহার, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতির ব্যবহার।
এসব উদ্যোগের ফলে তাঁত কারখানার অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে কারখানার ভেতরের অতিরিক্ত গরম কমানো, পর্যাপ্ত আলো ও বাতাস নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুতের অপচয় কমানোর ক্ষেত্রে জঊঈচ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তাঁত উদ্যোক্তাদের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা ও সক্ষমতা বাড়াতে স্মার্ট প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু ঝুঁকি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ই-কমার্স ও ডিজিটাল ব্যবসা পরিচালনা, পণ্য বৈচিত্র্যকরণ এবং আধুনিক বাজারব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগ তৈরির বিষয়েও প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলার পাশাপাশি ব্যবসার নতুন সুযোগ কাজে লাগানো, বাজার স¤প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদে ব্যবসাকে আরও টেকসই করার সক্ষমতা অর্জন করছেন।
তাঁত উদ্যোক্তা মোঃ শাহিন আলী আনোয়ার মাস্টার বার্তা সংস্থা পিপ‘কে বলেন, “স্মার্ট’ প্রকল্পের মাধ্যমে আরইসিপি বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ পাওয়ার পর আমরা কারখানার পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি। এর ফলে আগের তুলনায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় হচ্ছে এবং কারখানার ভেতরের গরমও অনেক কমেছে। শ্রমিকরাও এখন তুলনামূলক আরামদায়ক পরিবেশে কাজ করতে পারছেন।”
আরেক উদ্যোক্তা মোঃ সাদ্দাম হোসেন বার্তা সংস্থা পিপ‘কে বলেন, “পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে আমাদের কর্মপরিবেশের উন্নতি হয়েছে। শ্রমিকদের মধ্যে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বেড়েছে। ভালো কর্মপরিবেশের ইতিবাচক প্রভাব উৎপাদন কার্যক্রমেও পড়ছে।”
স্মার্ট কার্যক্রমের সুফল দেখে এখন অন্যান্য তাঁত উদ্যোক্তারাও পরিবেশবান্ধব ও সম্পদ-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি গ্রহণে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। এক উদ্যোক্তার সফল উদ্যোগ অন্য উদ্যোক্তাদেরও অনুপ্রাণিত করছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি গ্রহণ শুধু পরিবেশ ও শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে না; এটি উৎপাদন ব্যয় কমানো, জ্বালানি সাশ্রয় এবং দীর্ঘমেয়াদে ব্যবসার টেকসই উন্নয়নেও সহায়ক।
পাবনার ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পকে আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তুলতে “স্মাট’ প্রকল্পের কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাঁত খাতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে।
ক্রমবর্ধমান উদ্যোক্তার অংশগ্রহণ এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ প্রমাণ করে যে, সঠিক সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত পরামর্শ পেলে পাবনার তাঁতশিল্প আরও টেকসই ও সমৃদ্ধ হয়ে উঠতে পারে।
‘পাবনা প্রতিশ্রুতি’ নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার খালেদ হাসান টিপু বার্তা সংস্থা পিপ‘কে বলেন, পাবনার তাঁতশিল্প পাবনা জেলার একটি প্রাচীন ও গর্বের ঐতিহ্য। দীর্ঘদিন ধরে প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁতীরা এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। পারিবারিকভাবে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও প্রচলিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে তাঁরা নিজেদের উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
এই ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিই পাবনার তাঁতশিল্পকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাজার, প্রযুক্তি ও পরিবেশের পরিবর্তন হয়েছে। তাই ঐতিহ্যকে ধরে রেখে তাঁতশিল্পকে আরও আধুনিক ও টেকসই করার প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে।
এই জায়গায় স্মার্ট প্রকল্পের মাধ্যমে পাবনা প্রতিশ্রুতিতাঁত উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমাদের কাজ শুধু কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে সহায়তা দেওয়া নয়; বরং উদ্যোক্তাদের সামগ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। প্রশিক্ষণ, সচেতনতা বৃদ্ধি, কারিগরি পরামর্শ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের আরও দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল হতে সহায়তা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, সম্পদের সঠিক ব্যবহার, কর্মপরিবেশ, শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা এবং ব্যবসায়িক উন্নয়নের বিষয়গুলোকে সমন্বিতভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উদ্যোক্তারা শুধু প্রকল্পের সহায়তার ওপর নির্ভরশীল থাকবেন বরং তাঁদের মধ্যে এমন জ্ঞান ও সক্ষমতা তৈরি করা, যাতে তাঁরা নিজেরাই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং নিজেদের ব্যবসায় দীর্ঘমেয়াদে ভালো পরিবর্তন আনতে পারেন তিনি আরও বলেন।
ইতোমধ্যে দেখা গেছে, অনেক উদ্যোক্তা নিজেদের উদ্যোগে পরিবর্তন আনছেন। একজন উদ্যোক্তার ভালো উদ্যোগ দেখে অন্য উদ্যোক্তারাও উৎসাহিত হচ্ছেন। এভাবেই একটি উদ্যোক্তা থেকে অন্য উদ্যোক্তার মধ্যে ভালো চর্চাগুলো ছড়িয়ে পড়ছে।
আমরা বিশ্বাস করি, তাঁতশিল্পের উন্নয়ন শুধু উৎপাদন বাড়ানোর বিষয় নয়। উদ্যোক্তার ব্যবসা ভালো হবে, শ্রমিকের কর্মপরিবেশ ভালো হবে, পরিবেশের ওপর চাপ কমবে এবং স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার উন্নয়ন হবে এইসব কিছুকে এক সঙ্গে বিবেচনা করেই টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব। পাবনা প্রতিশ্রুতি স্মার্ট প্রকল্পের মাধ্যমে সেই সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যেই কাজ করছে। আমাদের প্রত্যাশা, পাবনার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যকে ধরে রেখে এখানকার তাঁতশিল্প ভবিষ্যতে আরও আধুনিক, পরিবেশবান্ধব, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই হয়ে উঠবে।

ছেলের সঙ্গে নানা আকুতি মিনতি করেও মন গলেনি ছেলের : অবশেষে পাবনার সেই অসহায় মা মুন্নি খাতুনের ভরণপোষণ ও চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন বিএনপি নেতা ডা. নোমান

বার্তা সংস্থা পিপ (পাবনা) : ছেলের সঙ্গে থাকার নানা আকুতি মিনতি করেও মন গলেনি ছেলের। অবশেষে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার সোনাতলা গ্রামের অসহায় মা মুন্নি খাতুনের ভরণপোষণ ও চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) পাবনা জেলা শাখার সদস্যসচিব ডা. আহমেদ মোস্তফা নোমান।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে সাঁথিয়া পৌরসদরে মুন্নি খাতুনের বোনের বাড়িতে গিয়ে তিনি এ দায়িত্ব নেওয়ার কথা জানান। এ সময় তিনি মুন্নি খাতুনকে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে মা ও ছেলের মধ্যে অনুষ্ঠিত শুনানির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে মায়ের ভরণপোষণ নিয়ে ছেলের বক্তব্য দেখে ব্যথিত হন ডা. আহমেদ মোস্তফা নোমান। এরপর তিনি অসহায় মা মুন্নি খাতুনের ভরণপোষণ ও চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর এ উদ্যোগকে মানবিক সহায়তার দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন স্থানীয় সচেতন মহলের অনেকে।
জানা গেছে, সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিম আহমেদ শুনানির সময় মুন্নি খাতুনকে ছেলের সঙ্গে রাখার জন্য বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন। তবে ছেলে সাগর মাকে নিজের সঙ্গে রাখতে রাজি হননি। এ সময় তিনি বলেন, “মাকে আমার সঙ্গে দিলে আমি সুইসাইড করব। তাও মাকে সঙ্গে নিতে পারব না। স্যার, আপনি বলে দেন, আমি মাকে মাসে কত টাকা দেব?”
শুনানি শেষে ইউএনও সেলিম আহমেদ সাগরকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কয়েক দিন সময় বেঁধে দেন। সাগর পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমরা ইউনিয়ন পরিষদে গ্রামপুলিশ হিসেবে কর্মরত।
মায়ের ভরণপোষণ নিয়ে মা-ছেলের এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। এর মধ্যেই মুন্নি খাতুনের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ডা. আহমেদ মোস্তফা নোমান।
ডা. আহমেদ মোস্তফা নোমান বলেন, বিষযটি আমারহ হৃদয় ছুয়েছে। ফেসবুকে ভিডিওটি দেখার পর আমি নিজে পাবনা থেকে সািঁথয়া গিয়ে ঐ অসহায় মায়ের সকল দায়িত্ব নিয়েছি।
সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিম আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, এটি খুবই আনন্দের খবর। একজন অসহায় মাকে যখন নিজ সন্তান অবজ্ঞা করে ফেলে চলে গেছে তখন আরেক মানব সন্তান তার সকল খরচের দায়িত্ব নিয়েছে। এটি একটি ভাল কাজ।