
পটুয়াখালী প্রতিনিধি।। নরওয়ের তারকা ফুটবলার আলিং হাল্যান্ডের অনুরুপ চলাচলের এমন মিলই রাতারাতি বদলে দিয়েছে জান্নাতুল তাহিরা নামের এক কিশোরীর জীবন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাল্যান্ডকে অনুকরন করে ভিডিও তৈরি করে এখন তিনি কেটি মানুষের কাছে পরিচিত মুখ। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রামের মো. রেজাউল করিম মৃধার মেয়ে ও বড়গোপালদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শেনির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাহিরা।
জান্নাতুল তাহিরা শুরুতেই নিজেই জানতেন না, ফুটবল তারকা আলিং হাল্যান্ড এর মতো হাটাচলার এতটা মিল রয়েছে তার। প্রথম বিষয়টি লক্ষ্য করেন তার চাচাতো ভাই। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলিং হাল্যন্ডের মতো চলাফেরার একটি ভিডিও ধারন করে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করেন।
জান্নাতুল তাহিরা বলেন, আলিং হাল্যান্ডের মতো আমার চলাচলের মিল আছে। বিষয়টি প্রথম আমার এক চাচাতো ভাই লক্ষ্য করেছিল। পরে হাল্যান্ডের মতো চলাচল দেখতে অনেকেই ভিডিও তৈরি করেছেন। তখন মনে হলো আমিও ভিডিও বানাতে পারি। এখন পুরো বিষয়টি বেশ উপভোগ করছি। এরপর আলিং হাল্যান্ডের অভিব্যক্তি ও বিভিন্ন ভঙ্গি অনুকরন করে নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করতে থাকেন। অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলো ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
ভাইরাল হওয়ার আগে ফুটবলের প্রতি তাহিরার তেমন আগ্রহই ছিল না। তবে হাল্যান্ডের সঙ্গে চলাচলের মিল থাকার কারনে এভাবে ভাইরাল হব, তা কখনো আমি ভাবিনি। এখন আমি নিয়মিত নরওয়ের দলের ম্যাচ দেখেন তিনি। তিনি আরো বলেন, সুযোগ পেলে আলিং হাল্যান্ডের সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে চান। শুধু সাক্ষাৎ নয়, নরওয়ের এই ফুটবল তারকার পাশে দাঁড়িয়ে একটি স্মরণীয় ছবিও তুলতে চান তিনি।
তবে জান্নাতুল তাহিরার এই ভাইরাল জনপ্রিয়তা কিংবা তার সঙ্গে চলাচলের বিস্ময়কর মিলের বিষয়টি আলিং হাল্যান্ডের নজরে পৌঁছেছে কি না তা এখনো জানা যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন দুরদুরন্ত থেকে বিভিন্ন বয়সের নারী পুরুষ দেখতে আসছেন তাকে। এমন প্রতিভা খুব অসাধারন তবে ধরে রাখতে হবে।
এবিষয়ে জান্নাতুল তাহিরার বাবা মো. রেজাউল করিম মৃধা বলেণ, আমার মেয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন বড় হয়ে দেশ ও জাতীর কল্যাণে কাজ করতে পারেন।
ঘটনার সত্যতা সঈকার করে বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মসিউর রহমান ঝন্টু বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলিং হাল্যান্ডের মতোই চলাফেরা করতে দেখা যায় তাহিরাকে। ওর উজ্জল ভবিষ্যৎ কারনা করছি।
জান্নাতুল তাহিরা শুরুতেই নিজেই জানতেন না, ফুটবল তারকা আলিং হাল্যান্ড এর মতো হাটাচলার এতটা মিল রয়েছে তার। প্রথম বিষয়টি লক্ষ্য করেন তার চাচাতো ভাই। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলিং হাল্যন্ডের মতো চলাফেরার একটি ভিডিও ধারন করে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করেন।
জান্নাতুল তাহিরা বলেন, আলিং হাল্যান্ডের মতো আমার চলাচলের মিল আছে। বিষয়টি প্রথম আমার এক চাচাতো ভাই লক্ষ্য করেছিল। পরে হাল্যান্ডের মতো চলাচল দেখতে অনেকেই ভিডিও তৈরি করেছেন। তখন মনে হলো আমিও ভিডিও বানাতে পারি। এখন পুরো বিষয়টি বেশ উপভোগ করছি। এরপর আলিং হাল্যান্ডের অভিব্যক্তি ও বিভিন্ন ভঙ্গি অনুকরন করে নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করতে থাকেন। অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলো ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
ভাইরাল হওয়ার আগে ফুটবলের প্রতি তাহিরার তেমন আগ্রহই ছিল না। তবে হাল্যান্ডের সঙ্গে চলাচলের মিল থাকার কারনে এভাবে ভাইরাল হব, তা কখনো আমি ভাবিনি। এখন আমি নিয়মিত নরওয়ের দলের ম্যাচ দেখেন তিনি। তিনি আরো বলেন, সুযোগ পেলে আলিং হাল্যান্ডের সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে চান। শুধু সাক্ষাৎ নয়, নরওয়ের এই ফুটবল তারকার পাশে দাঁড়িয়ে একটি স্মরণীয় ছবিও তুলতে চান তিনি।
তবে জান্নাতুল তাহিরার এই ভাইরাল জনপ্রিয়তা কিংবা তার সঙ্গে চলাচলের বিস্ময়কর মিলের বিষয়টি আলিং হাল্যান্ডের নজরে পৌঁছেছে কি না তা এখনো জানা যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন দুরদুরন্ত থেকে বিভিন্ন বয়সের নারী পুরুষ দেখতে আসছেন তাকে। এমন প্রতিভা খুব অসাধারন তবে ধরে রাখতে হবে।
এবিষয়ে জান্নাতুল তাহিরার বাবা মো. রেজাউল করিম মৃধা বলেণ, আমার মেয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন বড় হয়ে দেশ ও জাতীর কল্যাণে কাজ করতে পারেন।
ঘটনার সত্যতা সঈকার করে বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মসিউর রহমান ঝন্টু বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলিং হাল্যান্ডের মতোই চলাফেরা করতে দেখা যায় তাহিরাকে। ওর উজ্জল ভবিষ্যৎ কারনা করছি।