👁 176 Views

পটুয়াখালীতে পেঁপে চাষে ভাগ্যবদল

সঞ্জয় ব্যানার্জী, পটুয়াখালী প্রতিনিধি। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের বড় গোপালদী গ্রামের কৃখশ আবু ইউসুব। নবম শ্রেনীর গোন্ডি পেরিয়ে ইতি হয় লেখাপড়া। তারপর থেকে কৃষি কাজের সাথে জড়িয়ে পড়েন তিনি। কৃষি অফিসের পরামর্শে এবছর ফেয়ার লেডে এবং রেড লেডি জাতের পেঁপে চাষ করে বেশ সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি। মাত্র ৩৬ শতাংশ জমিতে প্রায় ৩ লাখ টাকার পেঁপে বিক্রির আশা করেন আবু ইউসুব। আবু ইউসুব এখন এলাকায় অণ্য চাষিদের কাছে মডেল। তার পুরো বাগানটি যেনো চোখে জোড়ানো একখেত। গাছের মাঝ থেকে ডগা পর্যন্ত ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের পেপে ধরে রয়েছে। আবু ইউসুবের সাফল্য দেখে অনেকেই আগ্রহ দেখাচ্ছেন এই পেঁপে চাষে। শুক্রবার সকালে আবু ইউসুবকে দেখা যায় তার পেঁপের বাগানে কাজ করতে। পুরো বাগান ঘুরে দেখা যায়, এ যেনো গাছে টাকা ধরে রয়েছে। এক একটি গাছে প্রচুর পরিমানে পেঁপে। তিনি গত চারদিন আগেও তিনি প্রায় ২২ মন পেঁপে বিক্রি করেছেন মাত্র ৩৬ শতাংশ জমির পেঁপে বাগন থেকে। কথা হয় আবু ইউসুব এর সাথে। তিনি জানান, টাকার অভাবে লেখাপড়া করতে পারিনি। ছোট থেকেই মাঠে চাষাবাদ শুরু করি। তারপরে এলাকায় অণ্র চাষিদের মতো পেঁপে চাষ শুরু করি। তিনি বলেন, ২০২৫ সালে বড় গোপালদী ব্লকের উপসহকারী কৃষি অফিসার আনোয়ার হোসেন আমাকে কৃষি কাজের পরামর্শ প্রদান করেন। কিভাবে বানিজ্যিকভাবে এ পেঁপের চাষ করা যায় সেটা সম্পর্কে জানি। পওে কৃষি াফিস থেকে প্রশিক্ষন নিয়ে শুরু করি পেঁপে চাষ। সে সময় এই পেঁপে সম্পর্কে অনেকেই অনেক কথা বলত। তিনি আরো বলেন, মাত্র ৩৬ শতাংশ জমিতে পেঁপের চাষ শুরু করি। গাছ লাগানোর পরে ৩-৪ মাসে গাছে পেঁপে ধরলো এবং ৫ মাস পরেই সেটা বাজাওে বিক্রির উপযোগী হয়। পেঁপে চাষে খরচ ও খাটনি কম কিন্তু আয় বেশি। আর বাজাওে ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে তাই আর পিছু ফিওে তাকাতে হয়নি। এছাড়া কৃষি অফিসের লোকজন নিয়মিত আমার ক্ষেত পরিদর্শন করে আমাকে পরামর্শ দেন। অণ্যাণ্য চাষের চেয়ে পেঁপে চাষ লাভজনক তাই অণ্য কৃষকরাও আগ্রহ দেখাচ্ছেন এই পেঁপে চাষে।
খুব কম সময়ে এ পেঁপে চাস করে কৃষকরা বেশ ভালো লাভবান হতে পারবেন বলে জানান দশমিনা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাফর আহমেদ। তিনি জানান, পুষ্টিমানের দিক থেকে পেঁপে খুবই স্বাস্থ্যকর একটি খাদ্য।