শনিবার- ৫ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ -২২শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ English Version

শার্শা উপজেলা বিএনপি দলীয় শৃংখ্যলা ভঙ্গের অপরাধে শতাধিক নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী

শার্শা উপজেলা বিএনপি দলীয় শৃংখ্যলা ভঙ্গের অপরাধে শতাধিক নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী

শার্শা (যশোর) সংবাদদাতা \ যশোরের শার্শা উপজেলা বিএনপি দলীয় শৃংখ্যলা ভঙ্গের অপরাধে এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দ্দেশে শার্শা উপজেলায় প্রায় শতাধিক বিএনপি নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। ইতোমধ্যে প্রত্যেক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাধারণ সম্পাদককে তদন্ত পূর্বক জরুরী ভিত্তি¡তে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সম্পাদক নিকট লিখিত অভিযোগ দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা মোতাবেক শার্শার উলাশী ইউনিয়নে ৫ই আগষ্টের পর দেশ ২য় বার স্বাধীন হওয়ায় বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে বিএনপির সান্ত্রাসী পরিচয় দিয়ে উলাশী ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম থেকে প্রায় ১ কোটি টাকা চাঁদা আদায় করেছে অসহায় লোকদের কাছ থেকে। উলাশী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ ও সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন স্বাক্ষরিত এক অভিযোগে জানা যায় উলাশী ৩নং ওয়ার্ডের জিরেনগাছা গ্রামের আরমান হোসেন ডাবলু, ৬নং ওয়ার্ডের মাটিপুকুর গ্রামের বিএনপি নেতা বিপ্লব হোসেন সহ তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে সরকারী সম্পত্তি¡ জবর দখল, চাঁদাবাঁজি, হামলা, ভাংচুর ও সরকারী কাজে বাধা প্রদান সহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ উঠেছে। সন্ত্রাসী আরমান হোসেন ডাবলু ও বিপ্লব হোসেন সকল কর্মকান্ডের মুল হুতা। এদের সহযোগিরা হল জিরেনগাছা গ্রামের তোফাজ্জেল বিশ্বাসের পুত্র জব্বার হোসেন ও বাবলু হোসেন, রেজাউল বিশ্বাসের পুত্র শান্তি, মোফাজ্জেল হোসেনের পুত্র আশরাফুল বিশ্বাস, ওজিহার বিশ্বাসের পুত্র আল ফরিদ, আব্দুল মান্নানের পুত্র হানিফা, আব্দুস সামাদের পুত্র নাজিম উদ্দীন, আবু জাফরের পুত্র আলমগীর হোসেন নেদা, কেরাম আলীর পুত্র সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম, আব্দুল গফুর মোড়লের পুত্র নুরুজ্জামান (হাত কাটা নেদা) রহমতুল­ার পুত্র আব্দুল­াহ, নুর ইসলামের পুত্র হাবিব, ছয়রদ্দিন বিশ্বাসের পুত্র দিনু মিয়া ও চিনু মিয়া, আজিজুর রহমানের পুত্র ইব্রাহিম মাটিপুকুর গ্রামের নাজিম উদ্দীনের পুত্র সেলিম হোসেন ও ফকির আহম্মদের পুত্র মতলেব হোসেন গত ৫ই আগষ্টের পর এলাকার ২০ জনের নিকট থেকে ৩টি মটর সাইকেল সহ প্রায় ১ কোটি টাকা চাঁদা আদায় করেছে। এরা এতটাই বেপরোয়া যে শার্শা থানা পুলিশের একটি দল আসামী ধরার জন্য জিরেনগাছা গ্রামে হাজির হলে উলে­খিত সন্ত্রাসীরা অফিসার ইনচার্জ সহ টহলদলের প্রত্যেককে এটাক করে। দলীয় নির্দ্দেশ উপেক্ষা করে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে উক্ত সন্ত্রাসীরা এলাকায় রামরাজত্ব কায়েম করেছে। এদের অত্যাচারে সাধারণ মানুষ আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। তদন্ত পূর্বক আইন গত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছে এলাকা বাসি। এছাড়া নাভারণ বাজার, বাগআঁচড়া বাজার, কাশিপুর বাজার, গোড়পাড়া বাজার, বেনাপোল, বালুন্ডা, গোগা নামধারী বিএনপির নেতা কর্মীরা চাঁদাবাজিতে লিপ্ত রয়েছে। যা দলের জন্য ভাব মুর্তি ক্ষুন্ন করছে।

 

৩৩ বার ভিউ হয়েছে
0Shares