
ইয়ানূর রহমান : যশোর শহরের ধর্মতলার কারবালা কবরস্থানে এক বৃদ্ধের মরদেহ দাফনে বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে স্বজনদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির মত ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার জোহর নামাজের পর সিতারামপুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের মরদেহ দাফনের সময় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, আবুল কালাম আজাদের মরদেহ দাফনের প্রস্তুতির সময় তাঁর ভাগনী মাসুমার স্বজনেরা দাফনে বাধা দেন। তাঁদের দাবি, সম্পত্তির ক্ষেত্রে মাসুমাকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
তবে আবুল কালাম আজাদের অন্য স্বজনেরা এ দাবি অস্বীকার করেন বলেন, যে জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে, সেটি আবুল কালাম আজাদ নিলামের মাধ্যমে নিজে ক্রয় করেছিলেন। এছাড়া তাঁর বাবার মৃত্যুর পর পারিবারিক সম্পত্তি ভাইবোনদের মধ্যে সমানভাবে বণ্টন করা হয়েছিল।
এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হলে একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ সময় মরদেহ সামনে রেখে স্বজনদের বিরোধ দেখতে কবরস্থানে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।
পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। একপর্যায়ে দাফনে বাধা দেওয়া পক্ষ ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে আবুল কালাম আজাদের মরদেহ কারবালা কবরস্থানে দাফন করা হয়।
ঘটনাটি নিয়ে স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তাঁদের কেউ কেউ বলেন, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ থাকলে তা পারিবারিক সমঝোতা বা আইনি প্রক্রিয়ায় সমাধান করা যেতে পারে। তবে মৃত ব্যক্তির দাফনকে কেন্দ্র করে এমন বিরোধ সৃষ্টি হওয়া দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত।#