
বন্দর প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় এক গুরুতর অসুস্থ ও শয্যাশয়ী প্রবাস ফেরত যুবককে মিথ্যা মাদক মামলায় আসামি করার অভিযোগ উঠেছে থানা পুলিশের কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, প্রতিপক্ষের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে এই হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) বরাবর বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা তদন্তের আবেদন করা হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বন্দর থানার তিনগাঁও গ্রামের বাসিন্দা, শারীরিক প্রতিবন্ধী হাজী লোকমান হোসেন। অভিযোগে তিনি জানান, তাঁর ছোট ছেলে রনি দীর্ঘদিন সৌদিতে ছিলেন। সেখানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় গত ৫ অক্টোবর তাকে দেশে এনে ঢাকার আদ-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে ১৩ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জের মেডিহোম হাসপাতালে তার একটি জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। বর্তমানে তিনি ডাক্তারদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ৩-৪ মাসের সম্পূর্ণ বিশ্রামে রয়েছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১০ অক্টোবর তিনগাঁও এলাকায় ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পর ১১ অক্টোবর বন্দর থানায় একটি মামলা (মামলা নং-১৬ (১০) ২০২৬) দায়ের করেন এসআই মো. লুৎফর রহমান। উক্ত মামলায় বাস্তবতার সম্পূর্ণ বিপরীতে গিয়ে কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়া গুরুতর অসুস্থ ও শয্যাশায়ী রনিকে ৩ নম্বর আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
বাদী হাজী লোকমান হোসেনের অভিযোগ, আমার ছেলে মৃত্যুর মুখোমুখি হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার সঙ্গে তার বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অনৈতিক সুবিধা নিয়ে কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তা আমার ছেলেকে মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করছে। তিনি অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত ‘আওয়ামী পুলিশ’ চক্রের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন। এদিকে, লিখিত অভিযোগের পর পুলিশ সুপার (এসপি) বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিনের কাছে এই মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে, ওসি কোনো কিছু না জেনেই এবং মামলাটি না দেখেই এতে স্বাক্ষর করেছেন বলে জানান। ওসির এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মিথ্যা মামলা থেকে নিরীহ ও অসুস্থ রনির নাম প্রত্যাহার এবং জড়িত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দূর্গা পূজার বিভিন্ন মন্ডপ পরিদর্শণ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আলহাজ্ব আবুল কালামের রাজনৈতিক সচিব আলহাজ্ব আবুল কাউসার আশা। ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার বিকেল থেকেই তিনি উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বিভিন্ন মন্দির ও পূজা মন্ডপে ছুটে যান। এসময় উপস্থিত ছিলেন মুসাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর আলম, বন্দর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ লিটন, মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তারা মিয়া,মুসাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী মোঃ আলী হোসেন, মহানগর বিএনপির সদস্য মোঃ মোসলেহউদ্দিন, সোহেল মেম্বার, বন্দর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি গোলজার হোসেন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তাওলাদ মাহমুদ, মুসাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জালাল মেম্বার, বন্দর উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, বন্দর উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী মোঃ ইব্রাহিম খান, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি তাজুল ইসলাম, সহ-সভাপতি নেছার আলী, বিএনপি নেতা মোঃ মামুন, মহসিনউল্লাহ,স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আনোয়ার প্রধানসহ মুসাপুর ইউনিয়ন বিএনপি অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আবুল কাউসার আশা তিনি প্রতিটি পূজামণ্ডপ স্বতস্ফুর্তভাবে ঘুরে ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি লাঙ্গলবন্দ জহরপুর মুনিঋষিপাড়া রক্ষাকালি মন্দির, ফনকুল গৌবিন্দকুল শিব ও দূর্গা দুটি মন্দির, তাজপুর জয়কালি মন্দির, লাঙ্গলবন্দ মহাতীর্থ স্নানোৎসব সেবা কেন্দ্র, লাঙ্গলবন্দ বাজার সংলগ্ন শ্রী শ্রী মা ভবানী যুব সংঘ’র মন্ডপের বিভিন্ন পূণ্যার্থী ও আয়োজকদের খোঁজ-খবর নেন। এবং সকল কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।