👁 128 Views

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির বাইরে অবস্থিত ১৩ টি গ্রাম সমূহের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণের উদ্বোধন

মোঃ আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির বাইরে ১৩ টি গ্রাম ও দুটি বাজারের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন, সমাজ কল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন (এমপি)।
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী শাহ আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর ৫ আসনের ফুলবাড়ী-পার্বতীপুর এর সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, অতিরিক্ত সচিব ও পেট্রো বাংলার চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রফিকুল ইসলাম, দিনাজপুর পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা পিপিএম।
চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে মাননীয় সমাজ কল্যাণ ও মহিলা শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার এ জেডএম জাহিদ হোসেন বলেন মাটির নিচে কয়লা পাথর ও যত খনিজ সম্পদ রয়েছে বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার আপনারা যারা জায়গা জমি দিয়েছেন যে কারণে কয়লা উত্তোলন হচ্ছে সেই সাথে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ফুলবাড়ী, দীঘিপাড়া, জামালগঞ্জ, খালাস পীর সহ সকল কয়লাক্ষেত্র থেকে কয়লা উত্তোলনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ জ্বালানি সমস্যার সমাধান করা হবে। ক্ষতিপূরণ পেতে কোন প্রকার দালাল ও নেতাকে ধরতে হবে না। খনি কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে নিয়মিত চেক বিতরণ চলবে।
এছাড়াও বড়পুকুরিয়া উন্নয়ন ফোরামের আহ্বায়ক সোলায়মান সামি জানান,ক্ষতিপুরনের পাশাপাশি খনি এলাকার বেকার সমস্যার সমাধান করতে হবে সেই সাথে আন্তর্জাতিক মানের ক্ষতিপুরন দিতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পদক্ষেপে উত্তরাঞ্চলের কয়লা খনি গুলো থেকে কয়লা উত্তোলন করতে পারলে দেশের জ্বালানি সংকট নিরসনের নিয়ামক হবে। এসময় ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার গর্নমান্য ব্যাক্তি ও সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ইনফ্লুয়েন্স জোনের বাইরে অবস্থিত গ্রামসমূহের (উত্তর চৌহাটি, চক মহেশপুর, চেরাপাড়া, মোবারকপুর, দক্ষিণ রসুলপুর, মধ্যদূর্গাপুর, কয়লা খনি বাজার, শাহগ্রাম, হামিদপুর, বৈগ্রাম, জব্বারপাড়া ও কাশিয়াডাঙ্গা) বাসিন্দাদের মধ্যে বাড়িঘর ফাটলের ক্ষতিপূরণ/অনুদানের চেক প্রদানের অনুষ্ঠান গত রবিবার বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড (বিসিএমসিএল)-এ অনুষ্ঠিত হয়।
বর্নিত গ্রামসমূহের ২,০২৫ টি পরিবারকে সর্বমোট ১০,২০,৪৫,০০০/- (দশ কোটি বিশ লক্ষ পঁয়তাল্লিশ হাজার) টাকা ক্ষতিপূরণ/অনুদান প্রদান করা হবে। উক্ত চেক বিতরণ উদ্বোধনী অন্ষ্ঠুানে প্রাথমিকভাবে প্রতিটি গ্রাম থেকে ১০ জন করে সর্বমোট ১৩০ টি পরিবারকে চেক প্রদান করা হয়েছে। পরবর্তীতে, সকল গ্রামের অবশিষ্ট পরিবারের মাঝে পর্যায়ক্রমে ক্ষক্তিপূরণ/অনুদানের চেক বিতরণ করা হবে। এই দিকে অভিযোগ উঠেছে পাতরাপাড়া ও বৈদ্যনাথপুর গ্রাম তলিয়ে গেলেও এবং বাড়ী ঘর ফাটল দেখা দিলেও সে দিকে খনি কর্তৃপক্ষ কোনো নজর না দেওয়ায় তারা আগামীতে ক্ষতিপূরণের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *