👁 462 Views

ভুয়া এমপিওভুক্তির ফাইল পাঠানোয় বেতন বন্ধ হচ্ছে নওগাঁর এক অধ্যক্ষের

 নওগাঁ প্রতিনিধি:   ভুয়া এমপিওভুক্তির ফাইল পাঠানোয় নওগাঁর ধামইরহাট সিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. রবিউল ইসলামের বেতন-ভাতা এবার বন্ধ করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তার এমপিও সাময়িক স্থগিতসহ কেন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না দিলে তার এমপিও বাতিল হবে বলে জানা গেছে।

আজ মঙ্গলবার অধ্যক্ষ মো. রবিউল ইসলামকে এ কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাদরাসা অধিদপ্তর।

কারণ দর্শানোর নোটিশে জানানো হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) এর প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক প্রেরিত শিক্ষক-কর্মচারীদেরনতুন এমপিও আবেদন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২৬ এর ১৭.২.১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটি কর্তৃক জুলাই ২০১৬ মাসের এমপিও যাচাই বাছাইয়ে পরিলক্ষিত হয় যে, নওগাঁ নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলাধীন ধামইরহাট ছিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার আয়া পদে মহাপরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধির জাল চিঠি তৈরি করা, ভূয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন করে ফলাফল শীট তৈরি করা এবং মহাপরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল করে জনাব মো: মাহেদী হাসানের জুলাই ২০২৬ মাসে নতুন এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন প্রেরণ করা হয়। যা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি কর্তৃক যাচাই বাছাইয়ের সময় উক্ত ভুয়া চিঠি ও ফল বিবরণী চিহ্নিত করে সুরাইয়া আক্তার পুতুলের নতুন এমপিও আবেদন বাতিল এর সুপারিশ করা হয়।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, মহাপরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধির জাল চিঠি তৈরি করে ভূয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন করে ফল শিট তৈরি করা এবং মহাপরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল করে অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত সুরাইয়া আক্তার পুতুলের নতুন এমপিও আবেদন পাঠানোয় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২৬ এর ১৮.১ (গ) ও (ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রবিউল ইসলামের বেতন ভাতা (এমপিও) সাময়িক স্থগিতসহ কেন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না মর্মে আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক লিখিত জবাব প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মো. রবিউল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও সেটা বন্ধ পাওয়া যায়। তাই তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *