
ন্যায্যমূল্যের বস্তায় ফ্যাসিষ্ট হাসিনার নাম নামাঙ্কিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি।। পটুয়াখালীতে ন্যায্যমূল্য কর্মসূচির চালের বস্তায় ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসবনার নাম দেখা গেছে। শেখ হাসিনার নামাঙ্কিত বস্তায় চাল বিতরন করায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের আলীপুরাহাট ডিলার ন্যায্য মূল্যের ৩০ কেজির চালের বস্তায় শেখ হাসিনার নামাঙ্কিত বস্তা দেখা যায়।
উপজেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দশমিনা উপজেলায় মোট বরাদ্দ ১২ হাজার ৫১ জন। কিন্তু যাচাই বাছাই শেষে ১২ হাজার ১২ জন সুবিধাবোগী ন্যায্য মূল্যের চাল পাচ্ছেন। তবে দশমিনা সদর ইউনিয়ন-২হাজার ৫শ’ ২২ জন, রনগোপালদী-১হাজার ৯শ’ ১৬জন, আলীপুর-১হাজার ৮শ’ ৯৯জন, বেতাগী সানকিপুর-১হাজার ৮শ’ ৭জন, বহরমপুর-১হাজার ৫শ’ ১জন, বাঁশবাড়িয়া-১হাজার ৬শ’ ৭৯জন ও চরবোরহান-৬শ’ ৯০জন সুবিধাভোগীর মাঝে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওয়তায় চাল বিতরন কার্যক্রম চলছে। প্রত্যেক সুবিধাভোগী ৩০কেজির বস্তা সাড়ে ৪শ’ টাকায় ন্যায্যমূল্যে নিচ্ছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার আলীপুরা ইউনিয়নের আলীপুরা হাট ডিলাার ৩০ কেজির ওজনের ন্যায্যমূল্যের প্রতিটি বস্তায় ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ ‘ শ্লোগান লেখা রয়েছে আর সেই বস্তা সুবিভোগীদের মাঝে বিতরন হয় হচ্ছে।
এবিষয়ে দশমিনা সরকারি আব্দুর রশিদ তালুকদার ডিগ্রি কলেজের সাবেক ছাত্র দলের সভাপতি আবুল বশার জানান, ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকার পতনের প্রায় ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও বহাল তবিয়তে আছেন তাদের দোসররা। চালের বস্তায় এখনও শেখ হাসিনার নাম থাকা সেই প্রমান বহন করে। বিষয়টির দায় খাদ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কোনো ভাবেই এড়াতে পারেন না। আমরা সরকারের উধর্বতন কতৃপক্ষের কাছে তদন্ত সাপেক্ষে বিষয়টির জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী করছি।
এবিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ (অ: দা:) মাহামুদুল হাসান সিকদার বলেন, সাধারনত ২ বছর পূর্বে বস্তা গোডাউনে রাখা হয়েছে। উর্দ্বতন কতুপক্ষের নির্দেশ কালো কালী দিয়ে নাম মুছে ফেলার জন্য চিঠি প্রেরন করা হয়েছে।
এবিষয়ে দশমিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইরতিজা হাসান জানান, ঘটনা ঘটার পরে আমাকে অবগত করা হয়েছে। বিতরনেে পূর্বে জানতে পারলে বস্তা পরিবর্তন করা বা উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের পরামর্শে বিতরন করা হতো। তবে সামনে দিকে নতুন বস্তায় চাল বিতরনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।#
১২ বার ভিউ হয়েছে