👁 236 Views

চৌদ্দগ্রামে ঢাকা- চট্রগ্রামমুলী সড়কে শ্রমিকরা অবরোধে তীব্র যানজট যাত্রীদের ভোগান্তি 

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) সংবাদদাতা,  কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মুল বেতন বৃদ্ধিসহ ৭ দফা দাবীতে টানা চতুর্থ দিনের বিক্ষোভ ও অবরোধ করছে জেএমআই সিরিঞ্জ ফ্যাক্টরির শ্রমিকেরা।  বৃহস্পতিবার দুপুরে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের চট্রগ্রামমুলী লেন অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এ সময় চট্টগ্রামমুখী লেনে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।  বিক্ষোভ চলাকালে একাধিকবার ফ্যাক্টরির মুল ফটক ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশের  চেষ্টা করে শ্রমিকরা। এসময় ইট, পাটকেল মেরে  ফ্যাক্টরীর  সামনের অংশ ভাংচুর করা হয়। তবে পুলিশের অবস্থানের কারণে গেইট কিছুটা ভাঙ্গলেও ভিতরে প্রবেশ করতে পারেনি। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার  শাহাদাৎ হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে শ্রমিকদের দাবি নিয়ে মালিকপক্ষের সাথে কথা বলার আশ্বাস দিলে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানান, ২০২৪ সালে শ্রমিকদের আন্দোলণ শেষে দাবী মানার আশ্বাস দিলে তারা আন্দোলন বন্ধ করে কাজে যোগ দেয়। কিন্তু সেই দাবিগুলোর অধিকাংশই মানা হয়নি।
এরই প্রেক্ষিতে গত ২৭শে জুলাই সোমবার কাজ বন্ধ করে বেতন ভাতা বৃদ্ধি, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আলাদা নামাজের ব্যবস্থা করাসহ ৭ দফা দাবীতে আন্দোলনে নামে তারা।
ফ্যাক্টরীর মালিক গোলাম মোস্তফার জানান,শ্রমিকদের চলমান দাবীগুলোর মধ্যে অধিকাংশই সর্বশেষ ২০২৪ সালের আন্দোলন পরবর্তী সময়ে মানা হয়েছে। গত সোমবার থেকে শ্রমিকরা আন্দোলনে নামে। শ্রমিকদের দাবীর প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বিএনপি জামায়াতের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শ্রমিকদের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক হয়। বৈঠকে দাবী মানার আশ্বাসে শ্রমিক প্রতিনিধিরা মিটিং শেষে কাজে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু শ্রমিকদের ছোট্ট একটা অংশ আবারো বিশৃঙ্খলা শুরু করে। তিনি আরও জানান, বর্তমান বেতন বাড়ানোর দাবী মানা তার পক্ষে সম্ভব হবেনা। প্রয়োজনে তিনি ফ্যাক্টরী বন্ধ করে দেয়ারও হুশিয়ারী দেন।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন জানান, শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সাময়িক সময়ের জন্য রাস্তা অবরোধ করে তারা। পরে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে আশ্বস্থ করলে মহাসড়কের অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *