👁 324 Views

বিশ্বকাপ চলাকালে স্টেডিয়ামের কাছ থেকে ৬০০টির বেশি ড্রোন জব্দ করেছে এফবিআই

ইমা এলিস, নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি: বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হওয়ার পর থেকে নিষিদ্ধ আকাশসীমায় অবৈধভাবে উড়ানো ড্রোনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে এফবিআই ৬০০টিরও বেশি ড্রোন জব্দ করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ১১ জুন টুর্নামেন্ট শুরুর পর থেকে বিশ্বকাপ ভেন্যুগুলোর আশপাশে এসব ড্রোন উড়ানো হচ্ছিল, যা অস্থায়ী উড়ান-নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করেছে।
এফবিআই জানায়, স্থানীয় ও অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুমোদিত অপারেটরদের সঙ্গে সমন্বয় করে তারা বিশ্বকাপের ম্যাচ ভেন্যু এবং ফ্যান ফেস্ট এলাকায় ড্রোন তৎপরতা নজরদারি করছে।
মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ করে এবং ড্রোন পরিচালনাকারীদের সংশ্লিষ্ট বিধিনিষেধ মেনে চলার দায়িত্ব তাদের নিজেদের। অধিকাংশ লঙ্ঘনের ঘটনায় জরিমানা এবং ড্রোন জব্দ করা হয়েছে।
এনবিসি নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ফেডারেল, অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয়ে ড্রোনবিরোধী নিরাপত্তা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছে এফবিআই।
শুধু কানসাস সিটিতেই বিশ্বকাপ-সংক্রান্ত অনুষ্ঠানের বাইরে এখন পর্যন্ত ৩২টি ড্রোন জব্দ করা হয়েছে।
মার্কিন অ্যাটর্নি আর. ম্যাথিউ প্রাইস বলেন, নিষিদ্ধ আকাশসীমায় ড্রোন ওড়ানো শুধু অবৈধ নয়, এটি অত্যন্ত বিপজ্জনকও। আমাদের কমিউনিটি এবং বিশ্বকাপ দেখতে আসা দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা আকাশকে ড্রোনমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে তা কর্তৃপক্ষকে জানান। আর অবৈধভাবে ড্রোন ওড়ানোর আগে দু’বার ভাবুন—আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগ ব্যবস্থা নেবে।
এদিকে, জুনের মাঝামাঝি ডালাসে বিশ্বকাপ ম্যাচ চলাকালে এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামের আকাশসীমায় নিবন্ধনবিহীন ড্রোন উড়ানোর অভিযোগে হন্ডুরাসের নাগরিক ৩৩ বছর বয়সী লুইস মরিসিও ফ্লোরেস অর্ডোনেজের বিরুদ্ধে ফেডারেল অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি একটি নিবন্ধনবিহীন ডিজেআই মিনি ৩ প্রো ড্রোন ব্যবহার করে ম্যাচ চলাকালে নিষিদ্ধ আকাশসীমায় উড়ান পরিচালনা করেন। এফবিআই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ড্রোনটি শনাক্ত করে এবং টাস্কফোর্সের সদস্যরা ড্রোন পরিচালনাকারীকে খুঁজে বের করেন। বর্তমানে তিনি বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আটক রয়েছেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিটি বিশ্বকাপ ম্যাচের তিন ঘণ্টা আগে থেকে সংশ্লিষ্ট স্টেডিয়ামের আকাশসীমায় ড্রোন ওড়ানো নিষিদ্ধ থাকে এবং ম্যাচ শেষ হওয়ার পর আরও তিন ঘণ্টা পর্যন্ত সেই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *