
নাটোর প্রতিনিধি : নাটোরের লালপুর উপজেলার সাজিদ জুট মিলস এ ডাকাতির ঘটনায় পাবনা থেকে ৬ ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সাথে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার( ২৩ জুন) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করে এসব তথ্য জানান, নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক।
পুলিশ সুপার জানান, চলতি বছরের ৩০ মে রাতে লালপুর উপজেলার ঈশ্বরদি সীমান্ত এলাকায় শ্রীরামগাড়ি এলাকায় সাজিদ জুট মিলে অজ্ঞাত ১২-১৪ জনের একটি ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত হয়ে মিলের পিছন দিক দিয়ে মিলের ভিতরে প্রবেশ করে। পরে মিলের একজন মেকানিকেল ইঞ্জিনিয়ারসহ ৪জন স্টাফকে বেধে পৃথক পৃথক ঘরে ফেলে রেখে সারা রাত মালামাল লুন্ঠন করে। পরে একটি পিকআপ ভ্যানে করে প্রায় ৮৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।
পুলিশ সুপার আরো জানান, এঘটনায় একই দিন বিকালে জুট মিলের মালিক সাজিদ মল্লিক বাদি হয়ে লালপুর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের নামে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর দ্রুততার সঙ্গে তদন্তে নামে পুলিশের একটি দল। পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পাবনা জেলার আটঘরিয়া এবং পাবনা সদর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৬ ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। একই সঙ্গে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পাবনা জেলার আটঘড়িযা থানার হায়দারপুর গ্রামের মৃত বেল্লাল মৃধার ছেলে মাহাতাব মৃধা (৩৩), তারাপাশা এলাকার গোলাপ হোসেনে ছেলে সেলিম হোসেন (৩১), সদর থানার মাছিমপুর এলাকার মৃত আকুব্বর প্রামানিকের ছেলে লিটন প্রামানিক( ৪৫), চরঘোষপুর এলাকার মিঠু শেখের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩৭) , মৃত মোফাজ্জল মন্ডল এর ছেলে আব্দুল খালেক (৩৫) ও কোষাখালী এলাকার আজগর আলীর ছেলে সাগর শেখ (২৩)।
এসময় তাদের কাছ থেকে লুন্ঠিত ৩শ কেজি তামার তার, মালামাল বিক্রির নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যান, একটি ব্যাটারি চালিত ভ্যান ও ৫টি মোবাইল জব্দ করা হয়।
তিনি আরো বলেন, ব্রিফিং শেষে আসামীদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। এবং এই চক্রের সাথে জড়িত অন্য সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।