
অভিযানে বড় বাজারের আল-আমিন টি-হাউজকে ৫০ হাজার টাকা, লাল পারফিউমার অ্যান্ড কেমিক্যালসকে ১০ হাজার টাকা, আব্দুল লতিফ স্টোরকে ২ হাজার টাকা, মেসার্স উত্তম কুমার স্টোরকে ১০ হাজার টাকা এবং মেসার্স মোমিন স্টোরকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, আল-আমিন টি-হাউজে চা প্যাকেটজাত ও বাজারজাতকরণে অনিয়মের বিষয়টি সামনে আসে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি নিজ বাসার ঠিকানা ব্যবহার করে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন নিয়ে বড় বাজারের দোকানে বিভিন্ন নাম ও মোড়কে চা প্যাকেটজাত করে বিক্রি করছিল। এর মধ্যে পরিচিত ‘মির্জাপুর চা’-এর অনুকরণে ‘মিয়াজিপুর চা’ এবং ‘সেভরোন’ নাম ব্যবহার করে চা বাজারজাত করার বিষয়টিও উঠে আসে। অভিযান সূত্রের দাবি, দোকানেই বস্তাভর্তি চায়ের ডাস্ট বিভিন্ন মোড়কে প্যাকেটজাত করে বিক্রি করা হচ্ছিল।
অন্যদিকে, লাল পারফিউমার অ্যান্ড কেমিক্যালসে কেক তৈরির কাঁচামাল বিক্রিতে মূল্যবৈষম্যের অভিযোগ পাওয়া যায়। একই পরিমাণ পণ্য বিভিন্ন ক্রেতার কাছে ২০০, ৩০০ ও ৫০০ টাকায় বিক্রির বিষয়টি অভিযানে উঠে আসে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এ ছাড়া পাটালির মৌসুম শুরুর আগেই বাঘা এলাকা থেকে হাটের মাধ্যমে পাটালি সংগ্রহ করে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায় আব্দুল লতিফ স্টোরের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, মেসার্স উত্তম কুমার স্টোর ও মেসার্স মোমিন স্টোরে সয়াবিন তেলের মূল্যতালিকা প্রদর্শন করা হয়নি। একই সঙ্গে লিটার ও কেজিতে তেলের পরিমাণ ও দামের হিসাবের অসামঞ্জস্যের বিষয়টিও অভিযানে নজরে আসে।
অভিযানে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) পাবনা জেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক, সাংবাদিক, কলামিস্ট ও দৈনিক সিনসার সহযোগী সম্পাদক শফিক আল কামাল এবং স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১২), পাবনা ক্যাম্পের একটি দল সহযোগিতা করে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং বাজারে পণ্য বিক্রির অনিয়ম প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে বাজারে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং ভোক্তাদের প্রতারণার ঝুঁকি কমাতে ব্যবসায়ীদের প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।