👁 285 Views

খুরা ও লাম্পি রোগের প্রাদুর্ভাব ক্ষতিতে খামারি ও গৃহস্থরা

সঞ্জয় ব্যানার্জী, পটুয়াখালী প্রতিনিধি।।  খুরা ও লাম্পি স্কিন প্রাদুর্ভাব আতঙ্কে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার খামারি ও গৃহস্থরা। উপজেলার ব্যাপকহারে দেখা দিয়েছে গরুর এ রোগ। ইতিমধ্যে দশমিনা সদর, বাঁশবাড়িয়া. বহরমপুর, আলীপুর, রনগোপালদী, বেতাগী সানকিপুর ও চরবোরহান ইউনিয়নে লাম্পি স্কিন রোগে আক্রন্ত হয়ে খামারি ও গৃহস্থদের  খুরা রোগে আক্রন্ত হয়ে ৯৬টি ও লাম্পি রোগে আক্রান্ত হ৯য়ে ৩টি গরু সহ মোট ৯৯টি গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন খামারিও কৃষকরা।
এছাড়া, খুরা ও লাম্পি স্কিন রোগে শত শত গরু আক্রন্ত হয়েছে বলে উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ছোট বড় খামারি ও উপজেলা প্রানিসম্পদ বিভাগ নিশ্চিত করেছেন। উপজেলা প্রানিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা খামারি ও গৃহস্থদের সাথে যোগাযোগ করে নিয়মিত তদারকি করছেন।
খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের বগুড়া এলাকায় খুরা ও লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে গত দুই সপ্তাহে একটি গর্ভবতী গাভিসহ তিনটি গরু মারা গেছে। অপরদিকে, বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিন দাসপাড়া এলাকায় খুরা রোগে আক্রান্ত হয়ে গত এক সপ্তাহে একটি গরু মারা গেছে। অপরদিকে. আলীপুর ইউনিয়নের খলিসাখালী এলাকায় খুরা ও লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে দুইটি গরু মারা গেছে। এছাড়াও উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিন দাসপাড়া এলাকায় খুরা রোগে প্রায় দুই শতাধিক ও লাম্পি স্কিন রোগে ৩টি গরু সহ উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে খুরা রোগে প্রায় দুই হাজার সাড়ে তিনশ ১২টি গরু ও লাম্পি স্কিন রোগে ৭৩টি গরু আক্রান্ত হয়ে আছে।
উপজেলার দক্ষিন দাসপাড়া গ্রামের কৃষক হারুন মৃধা জানান, ষাঁড় ও গাভী সহ ৯টি গরু রয়েছে। এর মধ্যে গত সপ্তাহে আমার ৬টি গরু খুরা রোগে আক্রান্ত হয়েছে এবং তার চিকিৎসা চলছে। অপরদিকে একই গ্রামের শহিদ হাওলাদার বলেন, আমার ১৩টি গরু আছে তার মধ্যে ৫টি গরু খুরা রোগে এক্রান্ত এবং একটি লাম্পি রোগে আক্রান্ত হয়ে আছে তবে চিকিৎসা চলছে কিন্তু মুখে খাইতে পারেনা গাভী।
এবিষয়ে দশমিনা উপজেলা প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, খামারীসহ সাধারন মানুষকে সচেতনতা সৃষ্ঠির জন্য ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করাসহ মাঠ দিবস পালন করা হয়েছে। পশু চিকিৎসায় সচেতনতা সৃষ্টির জন্য উঠান বৈঠক করা ও লিফলেট বিতরন করা হযেছে। তার পরেও খামারি ও সাধারন কৃষক পশু হাসপাতালে তাদের পশুকে না এনে স্থানীয় গ্রাম্য হাতুরে ডাক্তার াদয়ে চিকিৎসা করান। খুরা ও লাম্পি রোগে খামারি ও গৃহস্থদের লোকসানের কারন হয়ে দাড়িয়েছে। একদিকে তারা রোগাক্রান্ত গরু বিক্রি করতে পারছে না। অপরদিকে সুস্থ হওয়া গরুর স্বাস্থ্যহানি তাই দাম কম মিলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *