👁 124 Views

সিরাজগঞ্জে অটোরিকশাচালক কছিম উদ্দিন হত্যার দুই বছর পর রহস্য উদঘাটন আপন ভাইসহ গ্রেপ্তার-২

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি  সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের অটো রিকশাচালক কছিম উদ্দিন (৪৮) হত্যার  প্রায় দুই বছর তিন মাস পর রহস্য  উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের আপন ছোট ভাই ও মামলার প্রধান আসামি আব্দুল মালেক (৪৫) এবং তার সহযোগী কাকলী রানী (৩৬)কে গ্রেপ্তার করেছে রায়গঞ্জ থানা পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের জন্য কছিম উদ্দিনকে হত্যা করা হয়নি। দুই ভাইয়ের পারিবারিক বিরোধের জেরেই তাঁকে হত্যা করা হয়।

গত বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) নিমগাছি এলাকা থেকে আব্দুল মালেককে গ্রেপ্তার করে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। পরদিন শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) কাকলী রানীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। কাকলী প্রায় ১০ বছর ধরে নিমগাছি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানাযায়, কছিম উদ্দিনের ভাই আব্দুল মালেক ভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনাকে হত্যাকাণ্ডের আড়াল হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা করেন। ঘটনার রাতে সহযোগীদের নিয়ে তাঁকে নির্জন এলাকায় নেওয়া হয়। সেখানে হত্যা করে ভ্যানটি নিয়ে পালানোর পরিকল্পনা ছিল বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।

পুলিশের ভাষ্য, কাকুলি ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে কছিম উদ্দিনকে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসতে সহযোগিতা করেন। তবে আসামিদের ভূমিকা ও অভিযোগের সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ায় যাচাই হবে।গ্রেপ্তার আব্দুল মালেক রায়গঞ্জ উপজেলার নিমগাছী গ্রামের  শফিকুল ইসলামের ছেলে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসানুজ্জামান।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ১ জুলাই নিমগাছি এলাকায় কছিম উদ্দিনকে হত্যা করা হয়। তখন তাঁর অটোরিকশা ছিনতাইয়ের বিষয়টি সামনে আসে। পরে দীর্ঘ তদন্তে হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়।

রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান বলেন, অটোরিকশা ছিনতাই হত্যার মূল উদ্দেশ্য ছিল না। দুই ভাইয়ের পারিবারিক বিরোধের জেরেই কছিম উদ্দিনকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তদন্তে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার আব্দুল মালেক আদালতে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের জন্য  অভিযান চলছে।