
সোহেল সানী, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উত্তরে কৃষিজমিতে সারিবদ্ধ বহুতল ভবন দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে মনে হবে ঢাকা রাজধানীর অভিজাত আবাসিক এলাকা গুলশান, বারিধারা ও বনানী। পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উত্তর দিকে হামিদপুর ইউনিয়নের বাশঁপুকুর, কাজীপাড়া ও চৌহাটিতে অধিগ্রহণের আশায় কৃষিজমিতে তিনতলা থেকে চারতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ফসলি জমি ভরাট করে দুই শতাধিক অট্টালিকা গড়ে উঠেছে।
আর এসব ভবনের বেশির ভাগই বিল্ডিং কোড, নকশা অনুমোদন কিংবা নিরাপত্তা বিধি না মেনেই নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সেখানে মানুষের বসবাস নেই, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি সম্প্রসারণের খবরে কৃষিজমিতে গড়ে ওঠা এসব ভবনের বেশির ভাগই জনশূন্য। ভুতুড়ে বাড়ি। বাড়িগুলোয় নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। প্রতিদিন নতুন নতুন বাড়ী নির্মান কাজ চলছে। নেই সেখানে যাতায়াতের কোনো রাস্তা। অনেক ভবনের মূল ফটকে ঝুলছে তালা। আর এসব ভবন নির্মাণে লাগে অনুমতি পার্বতীপুর উপজেলা ইমারত ভবন নকশা কমিটি এবং হামিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের। পার্বতীপুর উপজেলা ইমারত ভবন নকশা কমিটিতে রয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভুমি), উপজেলা প্রকৌশলী, ডিপ্লোমা প্রকৌশলী, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যান। পার্বতীপুর উপজেলা ইমারত ভবন নকশা কমিটির দাবী এসব নির্মানের ব্যাপারে তারা কিছুই জানে না। আর হামিদপুর ইউনিয়ন পরিষদ জানিয়েছে, ২০২৪ সালে প্রথমে চারতলা ও দ্বিতীয় তলার অনুমতি দিয়েছিল। এরপর আর দেওয়া হয়নি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ ফসলি জমির মাঝখানে অপরিকল্পিতভাবে অসংখ্য ভবন তৈরি করা হয়েছে। এসব ভবনে যেতে জমির আইল ধরে হাঁটতে হয়। নেই ভবনের চারপাশে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পাকা রাস্তা বা অন্য কোনো নাগরিক সুবিধা। এলাকায় সংবাদকর্মী বা অপরিচিত কেউ ছবি কিংবা ভিডিও ধারণ করতে গেলে বাধার মুখে পড়তে হয়।
বাশঁপুকুর ও কাজিপাড়া গ্রামের একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তারা বলেন, যে তিনতলা ও চারতলা ভবনগুলো তৈরি হচ্ছে, তার অধিকাংশেই কেউ থাকে না। শুধু ভবন বানিয়ে রাখা হয়েছে। আমরা চাই সরকার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত অবস্থা যাচাই করুক, যাতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা ন্যায্য ক্ষতিপূরণ পান।
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ, পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের বাঁশপুকুর কাজিপাড়া ও চৌহাটি মৌজায় খনি সম্প্রসারণের জন্য প্রথমে ৩০০ একর জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) পরিচালনা পর্ষদ। খনির উত্তরে ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি সম্প্রসারণের জন্য ৩০০ একর জমি অধিগ্রহণের নীতিগত অনুমোদন পায়। এরপর ২০২৬ সালের ২০ মে খনির পূর্ব-দক্ষিণ পাশের্^র আরও অতিরিক্ত ১.৩৬ একর অনুমোদনের পর চিহ্নিত এলাকায় নিয়মবহির্ভূতভাবে বহুতল ভবন নির্মাণের ধুম পড়েছে। অধিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আশায় অনুমোদন ছাড়াই এসব ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাশঁপুকুর ও কাজিপাড়া গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, অধিক ক্ষতিপূরণের আশায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির অসাধু কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারি বেনামে বা দালালদের মাধ্যমে এসব নির্মাণকাজে অর্থ বিনিয়োগ করছেন। চলমান একটি নির্মাণকাজে কর্মরত এক রাজমিস্ত্রী বলেন, প্রায় ৩০ শতক জমির ওপর একটি দ্বিতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে এবং ভবনটির মালিক কয়লা খনির এক কর্মকর্তা।
পার্বতীপুর উপজেলা প্রশাসন বলছে, সার্ভে করতে গিয়ে দেখা যায় খনির ২২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারি। এঘটনায় খনি কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারি ও স্থানীয় দালালচক্রের যোগসাজশের বহুতল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
হামিদপুর-কাজিপাড়া গ্রামে বিল্ডিং ও গুদাম ঘর নির্মাণ বিষয়ে জানতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির (মহাব্যবস্থাপক-সারফেস অপারেশন) আবুল কালাম মুহাম্মদ বদরুল আলম দৈনিক দেশ রূপান্তর কে বলেন, আমি বিল্ডিং ও গুদাম করিনি, আমার স্ত্রীর নামে সম্প্রসারন এলাকায় জায়গায় ছিল, সেখানে তার নামে গুদাম ঘর রয়েছে। আপনি অফিসে আসেন সাক্ষাতকারে কথা বলি। অভিযোগ ওঠেছে, এই কর্মকর্তা কাজিপাড়া গ্রামে দুই থেকে তিনটি বিল্ডিং ও কয়েকটি গুদাম রয়েছে।
খনির আরেক কর্মকর্তা খনির (ব্যবস্থাপক-সাবসিডেন্স এন্ড এনভায়রনমেন্ট) মুহাম্মদ আক্কাছ আলী। তিনি সম্প্রসারন এলাকা চৌহাটি গ্রামে নির্মান করেছেন দুই তলা বাড়ি। যেটা জেলা প্রশাসক পরিদর্শনকালে বাড়ির বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
খনি সম্প্রসারন এলাকায় খনির কর্মকর্তা থাকা অবস্থায় আপনি চৌহাটি গ্রামে ভবন নির্মান করছেন কি না জানতে চাইলে, খনির (ব্যবস্থাপক-সাবসিডেন্স এন্ড এনভায়রনমেন্ট) মুহাম্মদ আক্কাছ আলী বলেন, আমি সম্প্রসারন এলাকায় কোন বাড়ি করেনি, আমার জায়গা নেই সম্প্রসান এলাকায়।
আর এসব বাড়িগুলোর মালিক যেমন খনির কর্মকর্তা, কর্মচারি, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসির আন্দোলনের নেতা ইব্রাহম খলিল, বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় প্রভাবশালীরা।
এব্যাপারে পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়ন পরিষদ সচিব সাজেদুর রহমান বলেন, বাশঁপুকুর, কাজিপাড়া ও চৌহাহটি মৌজায় অনিয়ম করে নির্মিত ভবনগুলোর কোনো হোল্ডিং ট্যাক্স বা নিবন্ধন করা হয়নি। নতুন সরকারি জরিপের সময় এসব ভবনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১০ বছর আগে খনি এলাকায় ১৩টি গ্রামে কৃষিজমি, ঘরবাড়ি, মসজিদ, কবরস্থান, স্কুল, কলেজ, ব্যাংক বিমা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ ৬৬৭ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। যার মূল্য পরিশোধ করে খনি কর্তৃপক্ষ। সেসব জমি বা বাড়ির মালিকরা অন্যত্র চলে গেছেন।
বহুতল ভবন নির্মাণ হওয়া বাঁশপুকুর গ্রামের বাসিন্দা বেলাল হোসেন বলেন, আগেও আমাদের অনেক জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। যে ক্ষতিপূরণ পেয়েছি, তা দিয়ে অন্য জায়গায় সমপরিমাণ জমি কেনা সম্ভব হয়নি।
উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা জাহেদুজ্জামান বলেন, হামিদপুর ইউনিয়নের ২৮ মৌজায় ৯ হাজার ৫০২ একর কৃষি জমি রয়েছে। এরমধ্যে ১ হাজার ৩ একর অকৃষি জমি আছে। এগুলোর মধ্যে প্রায় অধিকাংশ কৃষিজমিতে বহুতল ভবন গড়ে উঠেছে। এই এলাকায় ধীরে ধীরে কৃষি জমি কমে যাচ্ছে।
এব্যাপারে বসতবাড়ি রক্ষা কমিটির সভাপতি নুর মোহাম্মাদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, খনির কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী মহলের প্ররোচনায় মানুষ একাজে উৎসাহিত হয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। পাতরাপাড়া বা আশপাশের অন্য গ্রামগুলোতে এভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ হয়নি। পাতরাপাড়া-মৌপুকুর এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ক্ষতিপূরণ এখন পায়নি। জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ যেন সরাসরি প্রকৃত ভূমির মালিকে দেয়া হয়। খনি কর্তৃপক্ষ খনির উত্তরে সম্প্রসারনের উদ্যোগ নিয়েছে।
পার্বতীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: রাজিব হুসাইন বলেন, অধিগ্রহণ এলাকার কৃষিজমিতে অপরিকল্পিতভাবে ভবন নির্মাণের কারণে উর্বর কৃষি জমি ধ্বংস হচ্ছে। এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
এব্যাপারে গত দুইদিন ধরে ইউপি কার্যালয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের। পরে, দ্বিতীয় দিনে মোবাইল কথা হলে পার্বতীপুর উপজেলার ৯নং হামিদপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রেজওয়ানুল হক দৈনিক দেশ রুপান্তর কে বলেন, ভবন নির্মাণে অনুমতি লাগে, কিন্তু গ্রামের লোকজন তা মানে না। দুই তলা ভবন নির্মাণে ইউনিয়ন পরিষদ অনুমতি দিতে পারে। ২০২৪ সালে চারতলা ভবন নির্মাণ করার অনুমতি ছিল, এখন তা নেই। তিন থেকে চারতলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন এখন উপজেলা কমিটির মাধ্যমে দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, বাশপুকুর কাজিপাড়া গ্রামে ১৫০ ও চৌহাটি মৌজায় ৫০ মিলে ২০০ ভবন নির্মাণ হয়েছে। ৪০ থেকে ৫০ টির মতো হোল্ডিং রয়েছে। প্রায় দুই বছর ধরে এ ধরনের বহুতল ভবন নির্মাণ চলছে। এক প্রশ্নের জবাবে জানতে চাইলে, ওই সম্প্রসারন এলাকায় আপনার ৩/৪ ভবন রয়েছে। তিনি জানান, সরাসরি দেখা করে আপনার সাথে কথা বলবো ভাই।
এবিষয়ে পার্বতীপুর উপজেলা ইমারত ভবন নকশা কমিটির সদস্য ও পার্বতীপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো: মানিক মিঞা বলেন, হামিদপুর ইউনিয়নের বাঁশপুকুর কাজিপাড়া ও চৌহাটি মৌজা এলাকায় বহুতল ভবন নির্মাণের অনুমতির জন্য এখন পর্যন্ত কেউ আবেদন করেননি। এখন নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে, কি পরিমান ভবন নির্মাণ করা হয়েছে তার কোন পরিসংখ্যান নেই।
পার্বতীপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো: মাহমুদ হুসাইন রাজু বলেন, এসব ব্যাপারে এলাকাবাসী অনেক অভিযোগ দিয়েছে। বিল্ডিং কোড না মেনে এসব বিল্ডিং নির্মাণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ওইসব এলাকার খাজনা গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের দাবি, জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ যেন সরাসরি প্রকৃত ভূমির মালিকদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়। কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের মাধ্যমে নয়। যারা ভূমিহীন হয়ে পড়বেন, তাদের পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহবান জানান তারা।
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৫ সালে পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি আবিষ্কৃত হয়। শুরুতে এর আয়তন ছিল ৬ দশমিক ৬৮ বর্গকিলোমিটার। খনির প্রয়োজনে ১৯৯৩-২০০৭ সাল পর্যন্ত কয়েক দফায় ৭৯২ দশমিক ৭৫ একর জমি অধিগ্রহণ করেছে খনি কর্তৃপক্ষ। নতুন করে খনির আয়তন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য আরো ৩০১.৩৬ একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় জরিপ বা সার্ভে কাজ এখন চলছে। ড্রিলিংয়ের মাধ্যমে ছয়টি বোর হোল করে ভূ-তাত্ত্বিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। পরবর্তী ফেইস ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রয়োজনীয় নকশা তৈরি করে গত বছর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রস্তাবও পাঠানো হয়েছে। ২০২৪ সালে অধিগ্রহণের আগে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করতে ৫০ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটিও করা হয়। তার আগেই খনির উত্তর দিকে দুটি গ্রামের কৃষিজমিতে তিন থেকে চারতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সরজমিন বিষয়টি পরিদর্শন করতে ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট তৎকালিন এমডি আবু তালেব ফারাজীসহ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো: জানে আলম ও জেলা প্রশাসক কার্যালয় এবং খনির কয়েকজন কর্মকর্তা বাশপুকুর ও কাজীপাড়া গ্রামে যান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ড্রোন দিয়ে ছবি ও ভিডিও চিত্র ধারণ করতে চাইলে ভবন মালিকদের বাধার মুখে করা যায়নি।
দিনাজপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের (এলএ) শাখা সুত্র জানায়, ১৯৯৩-২০০৭ সাল পর্যন্ত বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির প্রয়োজনে কয়েক দফায় ৭৯২ দশমিক ৭৫ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল আইন-২০১৭ অনুযায়ী, জেলা রেজিস্ট্রি অফিস থেকে হামিদপুর ইউনিয়নের মৌজার জমি গত তিন বছরে যে দামে বিক্রি হয়েছে, তার গড় হিসাব করে অধিগ্রহণকৃত জমি ও স্থাপনার মূল্য নির্ধারণ করা হবে।
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো: শাহ আলম বলেন, খনি সম্প্রসারনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অধিগ্রহনের আগেই তো খনির উত্তর দিকের বাশঁপুকুর, কাজিপাড়া ও চৌহাটিতে বহুতল ভবন নির্মাণ হয়েছে। অধিগ্রহন এলাকায় খনির কোন কর্মকতা ভবন নির্মাণের প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নেয়া হবে। সম্প্রসারন এলাকায় যারা এসব নির্মাণ করেছে তাদের উদ্দেশ্য ভালো নয়।