👁 296 Views

কাটাগাড়ী জামে মসজিদের নামে ওয়াকফকৃত ধানী জমি মসজিদ কমিটি পত্তন।। মামলা তদন্ত কাজে বাধা।।

বগুড়া অফিস বগুড়াঃ

কাটাগাড়ী জামে মসজিদের নামে ওয়াকফকৃত ধানী জমি মসজিদ কমিটি নতুন করে পত্তন করায় কমিটির দুইজনে বাধা প্রদান করেন।ওয়াকফক প্রশাসক কর্তৃক দেয় ৭ জন সদস্যের কমিটির মধ্য থেকে সভাপতি সহ ৫ জন সদস্য কমিটি ও গ্রামবাসীর পক্ষে থেকে মসজিদটি ওয়াকফো প্রশাসকের চিঠি মোতাবেক পরিচালনা করে আসিতে ছিলেন।

শুধুমাত্র আব্দুল করিম ও তার সাথে অপর এক সদস্য ১ জন এই ওয়াকফ প্রশাসকের চিঠির বিরোধীতা করেন। সভাপতি জানান আমরা ৫ জন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জমি পত্তন করিয়া সেই টাকার রশিদ ও টাকার হিসেব নিকাস সংরক্ষণ করিয়া আসিতেছি।অফিসিয়াল মুতুয়াল্লি সেই সকল টাকা হাতে নিতে না পারার কারণে ও গ্রামবাসী এর বিরোধিতা করার ফলে এই জটিলতার সৃষ্টি করেছেন।

সে মোতাবেক জমি পত্তন ও চাষ সংক্রান্ত ঘটনায় মোতয়াল্লীর পক্ষে কমিটির কেউ  কোন লোক না থাকায়  তদন্ত কমিটির সামনে মাটামারি মহিলাসহ ৩জন আহত হয়েছেন জন্য দুপচাঁচিয়া থানায় একটি মিথ্যে অভিযোগ দায়ের করেন।

 ঘটনায় মুতুয়াল্লী বাদী না হয়ে গ্রামের আব্দুল জলিল কে বাদী করায় কমিটির অন্যান্য সদস্যরা শংকিত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। মারপিট ঘটনায় বাদী মোঃ আব্দুল জলিএইল (৪৪), পিতা-মৃত ইমান আলী, সাং- কাঁটাগাড়ী, থানা-দুপচাঁচিয়া, জেলা-বগুড়া।অত্র অর্থ কমিটির কেউ নন।

উক্ত ঘটনায় ওয়াকফকৃত সম্পত্তি নিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে দুপচাঁচিয়া থেকে অফিসিয়াল মুতয়াল্লী নিযুক্ত করায় আব্দুল করিম বিভেদ সৃস্টি করার কারনে আবারো বড় ধরনের সংঘাত হবার সম্ভাবনা রয়েছে বলে কাটাগাড়ি গ্রামবাসী অনেকেই সাংবাদিকদের জানান।

উপরোক্ত বিবাদীগন পূর্ব পরিচিত। নিম্নে তফসিলভুক্ত সম্পত্তি কাটাগাড়ী জামে মসজিদের নামে ওয়াকফকৃত ধানী জমি। সে মোতাবেক মোতাওয়াল্লি আব্দুল করিম ওয়াকফ দাতার ভাতিজা মোঃ আঃ জলিলকে পত্তন দিয়ে চাষাবাদ করে মসজিদে অর্ধাংশ বুঝে দিয়ে রসিদ সংরক্ষণ করায় এই জটিলতা তৈরী করেন।

এমতাবস্থায় আব্দুল জলিল জানান অদ্য ০৯/০৮/২০২৬ ইং তারিখ ১২.০০ ঘটিকার সময় ১৪৪/১৪৫ ধারার মামলাটি কোর্ট হইতে দুপচাঁচিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অফিস হইতে সার্ভেয়ার তদন্তের জন্য নিম্নে সম্পত্তিতে আসিলে আমি সার্ভেয়ারকে সহায়তার জন্য জমির কাগজপত্র সহ তার সঙ্গে যাই।

তফসিলভুক্ত সম্পত্তির বর্ণনাঃ জেলা-বগুড়া, থানা-দুপচাঁচিয়া, মৌজা-কামার গাঁও, জেএল নং-৮৭, আর এস খতিয়ান নং-৮৭, দাগ নং-১১১১, পরিমাণ-৭২ শতক, রকম-ধানী

একই তারিখে অনুমান ১২.৩০ ঘটিকার সময় জনৈক মোঃ আশরাফ আলীর বাড়ীর সামনে আমার ছেলে মোঃ মিনহাজ মন্ডল (২১) বাড়ী যাওয়ার সময় তদন্ত কার্যের একপর্যায়ে অনুমতি ছাড়া মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করার কারনে রাগারাগির একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।এ সময় মহিলারা এসে যুক্ত হওয়ার কারণে তদন্তকারীয় বাধাগ্রস্ত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *