👁 109 Views

দুটি অবুঝ সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে বাঁচতে চান অসহায় এই পিতা

পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: একসময় চার চাকার ভ্যানের প্যাডেলে শক্তি দিয়ে পরিবারের জীবিকার চাকা ঘুরিয়েছেন তিনি। সেই মানুষটিই আজ নিজে আর দাঁড়াতে পারেন না। যে হাত পরিশ্রম করে পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দিত, আজ সেই হাত অসহায়ভাবে সাহায্যের জন্য প্রসারিত।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ১নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের দিঘলকান্দি (পঞ্চপটি) গ্রামের বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম (পিতা: মরহুম লাল মিঞা ওরফে নালু) বর্তমানে অজ্ঞাত জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দিন কাটাচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী এই ভ্যানচালকের চিকিৎসা প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে অর্থাভাবে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, চার সদস্যের সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন শরিফুল ইসলাম। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে রোগ নির্ণয় ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে বাধ্য হয়ে বিক্রি করে দিতে হয় তাঁর জীবিকার একমাত্র অবলম্বন—ভ্যানটি। এরপর প্রতিবেশীদের সহায়তা ও ভ্যান বিক্রির অর্থ দিয়ে কিছুদিন চিকিৎসা চললেও সেই সামান্য সঞ্চয়ও শেষ হয়ে গেছে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, তাঁর রোগের প্রকৃত কারণ নির্ণয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু অর্থের অভাবে তা আর সম্ভব হচ্ছে না। ফলে প্রতিদিনই মৃত্যুর ঝুঁকির দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন এই অসহায় মানুষটি।
এদিকে ঘরে রয়েছে দুটি ছোট্ট অবুঝ সন্তান। বাবার অসুস্থতা আর সংসারের চরম দারিদ্র্যের কারণে পরিবারটি আজ অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি। সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে এখনও বাঁচার স্বপ্ন দেখেন শরিফুল ইসলাম।
পরিবারের সদস্যরা সমাজের বিত্তবান, মানবিক ব্যক্তি, প্রবাসী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও দানশীল মানুষের কাছে সহযোগিতার আকুল আবেদন জানিয়েছেন। তাঁদের ভাষায়, আপনাদের সামান্য সহযোগিতাই হতে পারে একজন অসহায় বাবার জীবন বাঁচানোর শেষ ভরসা এবং দুটি শিশুর মাথার ওপর বাবার স্নেহের ছায়া ধরে রাখার একমাত্র আশা।
মানবিক সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা
বিকাশ (রোগীর নিজস্ব নম্বর): ০১৭৪০-১৯৪৮৪০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *