
মো:আব্দুল হাফিজ দিনাজপুর প্রতিনিধি। তিনি বলেন বিরামপুরেরমানুষের আন্তরিকতা, ভালোবাসা, দোয়া এবং সম্মান আমি আজীবন মনে রাখব। সত্যিই বিদায়ের মুহূর্তে মনটা একটু ভারী হয়ে আছে।
বিরামপুর আদর্শ হাইস্কুল, বিরামপুর সরকারি কলেজ, বাংলাদেশের বিরল প্রজাতির গিলা লতা গাছ (জোতবানী ইউনিয়নের জোতমাধব মৌজায়), মোন্নাপাড়া ব্রিজ, প্রস্তমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিরামপুর বড় মাঠ, বিরামপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, বিরামপুর রেলওয়ে স্টেশন, আমানুল্লাহ আদর্শ বিদ্যানিকেতন, বিরামপুর থানা, বিরামপুর উপজেলা পরিষদ, প্রতিটি স্থান আমার এই ভ্রমণের সুন্দর স্মৃতির অংশ হয়ে থাকবে। তবে সবচেয়ে বেশি মনে পড়বে এখানকার মানুষদের। আপনাদের ভালোবাসাই আমার পথচলার সবচেয়ে বড় শক্তি।
বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ বিরামপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ তানজিনা খাতুন মহোদয় এবং বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম সরকার স্যারের প্রতি। তাঁদের সঙ্গে কাটানো সময়, উৎসাহ এবং আন্তরিকতা আমার এই যাত্রাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় আমার ভ্রমণ আইডিতে যে শুভকামনা লিখে দিয়েছেন, সেটি আমার জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। তিনি শুধু আমার ভ্রমণের সফলতা কামনা করেননি, বরং যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখা এবং সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে সচেতনতার বার্তা দেশের এক জেলা থেকে আরেক জেলায় পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ইনশাআল্লাহ, তাঁর এই মূল্যবান কথাগুলো হৃদয়ে ধারণ করে আমার যাত্রা অব্যাহত রাখব এবং সমাজের জন্য ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে যাব।
বিরামপুরে অবস্থানকালেতিনি আরও বলেন আমার কোনো কথা বা আচরণে যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। মানুষ মাত্রই ভুল করে। আশা করি, আমার ভুলের চেয়ে আমার সুন্দর উদ্দেশ্যটিকেই বড় করে দেখবেন।