
চৌদ্দগ্রাম কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সংস্কারের অভাবে বেহাল এলজিইডির ৩০ টি সড়ক।
প্রায় ৭৭ কিলোমিটার এসব সড়কে সৃষ্টি হয়েছে ছোটবড় খানাখন্দ। এতে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন স্হানীয় বাসিন্দারা। খানাখন্দে পড়ে বিকল হচ্ছে জানবাহন,ঘটছে ছোটবড় দূর্ঘটনা। যাতায়াতে গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া,সেই সাথে নষ্ট হচ্ছে দৈনন্দিন কর্মঘণ্টা। সংস্কারের অভাবে বেহাল হওয়া সড়ক গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য,ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের সংযোগ সড়ক লাটিমি-আলকরা ৩ কি.মি,ভাজনকরা-ভোড়নকরা ৩ কি,মি,ফাঁসি বটগাছ-চৌধুরী বাজার ৪ কি.মি,কাঁকৈরখোলা-হাটবাইর ২ কি.মি,জগন্নাথদীঘি-সোনাপুর ৩ কি.মি,ঘোষতল-জিনিদকরা ২ কি.মি, ওড়া রাস্তার মাথা-ধোড়করা বাজার ৩ কি.মি,
সুজাতপুর-সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম কাজী জাফর আহমেদের বাড়ী পর্যন্ত ২ কি.মি,রামপুর – পাতড্ডা বাজার ২ কি.মি,কনকাপৈত ইউনিয়নের জংগলপুর-পূর্ব বামপাড়া ২ কি.মি,বসন্তপুর-বাতিসা ইউপি পরিষদ ২ কি.মি,বাতিসা দৈনিক বাজার – ডলবা ২ কি.মি, আটগ্রাম-শরীফপুর ৬.৬ কি.মি,শুভপুর- কাদৈরবাজার ২ কি.মি,চৌমুহনী বাজার -রাজাপুর বাজার ৩ কি.মি,কাঁঠালিয়া-ধর্মপুর ২ কি.মি,কাশিনগর বাজার – দরবেশ বাজার ২.৫ কি.মি, সহ কমপক্ষে ৩০ সড়ক।উপজেলার সর্বত্র গুরুত্বপূর্ণ অধিকাংশ সড়কের কার্পেটিং উঠে ছোট-বড় অসংখ্য খানা খন্দক এক-একটি পুকুরে পরিণত হয়েছে। সড়কগুলোর ছোট-বড় অসংখ্য খানা-খন্দক দিয়ে ছোট-বড় যানবাহন চলাচলে এলাকাবাসীকে প্রতিনিয়ত নাকাল হতে হচ্ছে। বেহাল সড়কব্যবস্থা দিয়ে এলাকাবাসীর যাতায়াতে ভোগান্তির যেন শেষ নেই। বিধ্বস্ত সড়কগুলো দিয়ে মালবাহী ট্রাক-ট্রাকটর, পিকআপভ্যান, যাত্রীবাহি সিএনজি চালিত অটোরিক্সা, ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা, মাইক্রোবাস,মুমূর্ষ রোগীর এম্বুলেন্স, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। দীর্ঘ প্রায় ৩-৪ বছর থেকে উপজেলার বিধ্বস্ত সড়ক ব্যবস্থা দিয়ে এলাকাবাসীকে ভোগান্তির মধ্যে দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করতে হচ্ছে। অনেক সড়ক দীর্ঘ ১০বছরেও সংস্কার করা হয়নি বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন। উপজেলা এল জি ই ডি সড়কগুলো মেরামতে প্রতিনিয়ত আশ্বাসবাণী শোনালেও দীর্ঘদিনেও অধিকাংশ সড়ক সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা উপসহকারী এলজিইডি কর্মকর্তা তৌহিদ বিন আজম
আগামীর সাংবাদিকদের জানান, উল্লেখিত সড়কগুলোর
মধ্যে আটটি সড়ক সংস্কার জন্য ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরে জিওবি বরাদ্দ চেয়ে জেলা ইলজিইডি অফিস বরাবর একটি চাহিদা পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।চলতি অর্থবছরের অক্টোবর- নভেম্বরের মধ্যে সড়কগুলো ট্রেন্ডার হবে বলে তিনি দাবী করেন।
তিনি আরো জানান,বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় বাকি সড়ক গুলোর জন্য পর্যায়ক্রমে প্রস্তাব বনা পাঠানো হবে।
সরেজমিনে বিভিন্ন সড়ক ঘুরে ও খোঁজ নিয়ে জানা যায় সড়কে অসংখ্য ছোট-বড় খানা খন্দকে বর্ষার পানি জমে সড়কটি যাতায়াতে একেবারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এভাবে উল্লেখিত প্রত্যেকটি সড়কে অসংখ্য ছোট-বড় খানা-খন্দক দিয়ে যানবাহনসহ পথচারীদের যাতায়াতে নাকাল হতে হচ্ছে। খানা-খন্দকগুলো দিয়ে ছোট-বড় যানবাহনকে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। একটু-এদিক-সেদিক হলে যানবাহন উল্টে যাত্রীদের দূর্ঘটনায় প্রাণহানির আশংকা রয়েছে। অন্যদিকে বেহাল সড়ক দিয়ে যাতায়াতে ছোট-বড় যানবাহনকে প্রায় নষ্ট হতে হচ্ছে। সড়কগুলো দিয়ে এ্যাম্বুলেন্সবাহী অসুস্থ রোগীদের আরো অসুস্থ হতে হচ্ছে। বেহাল সড়ক দিয়ে আধা ঘন্টার যাতায়াতে প্রায় এক ঘন্টা অতিরিক্ত সময় ব্যয় হচ্ছে।সড়কগুলো সংস্কার হলে কিছুটা লাঘব হবে জনদুর্ভোগ। সাবেক ছাত্র নেতা খালেদ হোসেন মোল্লা সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সামাজিক রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দ্রুত সময়ে রাস্তা গুলো কাজ করতে মাননীয় বিরোধী দলীয় উপনেতা ডাঃ সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এমপির দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।