👁 134 Views

মেলান্দহে সাড়ে ৭ লাখ টাকা নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম, থানায় অভিযোগ

মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি : জামালপুরের মেলান্দহে স্বর্ণের নেকলেস দেওয়ার প্রলোভন ও নানা অজুহাত দেখিয়ে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে ৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা নিয়ে উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে মো. জুবায়ের নামে এক ব্যক্তি মেলান্দহ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযুক্ত, মিজানুর রহমান (৩৭) মেলান্দহ  উপজেলার মালঞ্চ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব। মসজিদে নিয়োগের সময় তার দেওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী বর্তমান ঠিকানা ঢাকার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী এলাকা এবং স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার উত্তর গাজিপুর আসরা মসজিদ বাড়ী উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি ওই এলাকার ইসমাইল মজুমদারের ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ অক্টোবর মিজানুর রহমান তাঁর কাছে কিছু টাকা প্রয়োজন বলে জানান। এ সময় তিনি হংকং থেকে স্বর্ণের নেকলেস আসছে এবং সেটি তাকে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। অভিযুক্তের কথায় বিশ্বাস করে জুবায়ের নগদ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেন। কয়েক দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত মিজানুর রহমান বিভিন্ন প্রলোভন ও কৌশলে আরও কয়েকজনের কাছ থেকেও টাকা নেন। সব মিলিয়ে ৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগকারীর দাবি।
টাকা ফেরত চাইলে মিজানুর রহমান  বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে সময়ক্ষেপণ করেন। একপর্যায়ে গত ৭ অক্টোবর দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে তিনি আত্মগোপনে চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী জুবায়ের বলেন, তাকে বিশ্বাস করে এতগুলো টাকা দিয়েছি। প্রতারণা করে পালিয়ে যাবে বুঝতে পারি নাই। টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।
অভিযুক্ত মিজানুর রহমান আত্মগোপনে ও তার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে মালঞ্চ জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মো. ফরহাদ হোসেন মুঠোফোনে জানান, টাকা নেয়ার বিষয়টি আমি আগে থেকে জানতামনা। পালিয়ে যাবার পরে ভুক্তভোগীদের কাছে জানতে পেরেছি। মসজিদ কমিটির সদস্যদের নিয়ে মিটিং করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে তিনি জানান।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম মাহমুদুল হক বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।#