👁 90 Views

ডিবি পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু  মধুখালীতে ছাত্রলীগ কর্মী গ্রেফতার

শাহজাহান হেলাল,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি ২১জুন ২০২৬খ্রি.রোববার:   ফরিদপুরের মধুখালীতে এক ছাত্রলীগ কর্মী ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ  কর্তৃক গ্রেফতার হয়ে ডিবি পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মৃত ছ্রত্রলীগ কর্মি মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্ত। সে পৌর সভার গোন্দারদিয়া গ্রামের মরহুম মির্জা এসকেন্দার হায়দারের ছেলে এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মির্জা মনিরুজ্জামান বাচ্চুর ভাতিজা ।

পারিবারিক ও স্থানীয় এবং ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার  ২০ জুন ২০২৬খ্রি. শনিবার  বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে  ডিবি পুলিশ প্রান্তকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ হেফাজতে নিয়ে নেয়। প্রান্ত ডিবি হেফাজতে ভোরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুন ২০২৬খ্রি. রোববার  ভোর সাড়ে ৬টার দিকে  তার মৃত্যু হয়। ইশতিয়াক আহমেদে প্রান্তর মৃত্যুর সংবাদ এলাকায় পৌছালে শোক ও ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি  হয় । প্রান্তের মৃত্যুর কারণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা- সমালোচনা শুরু হয়েছে।   প্রান্তের মৃত্যুর বিষয়ে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আনার পর তিনি ভোরে অসুস্থতা অনুভব করলে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর ৬টার দিকে তিনি মারা যান।তিনি আরও জানান, “ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। মধুখালী থানার পরিদর্শক সুকদেব রায় জানান ৪জনকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছে । তাদের  নামে মধুখালী থানায় মাদক মামলা হয়েছে। ফরিদপুর জেলা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক সৈয়দ আলমগীর হোসেনের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান পুলিশের মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের কৌশলেই মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্তকে ১শ গ্রাম গাঁজাসহ আরো ৩জনকে আটক করা হয়েছে। ডিবি হেফাজতে ভোরে সে অসুস্থ হলে তার সঙ্গীদের সহযোহগিতায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়্। ইসিজি ও সিটিস্কিন পরীক্ষায় ধরা পরেছে মস্তিষ্কে অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরনের কারনে তার মৃত্যু হয়েছে। কোন মুত্যুই কাম্য নয়। পুলিশের পক্ষ থেকে যা করার দরকার আমরা সেটা করেছি।পরিবারের পক্ষ থেকে প্রান্তের মেঝ চাচী নাসরিন জামান বলেন আমি সারক্ষণই  তাদের সাথেছিলাম সারা ঘর তনতন করে ডিবি পুলিশ খুজে কোন কিছুই পায় নাই। সে ছিল আমার পরিবারের রত্ন আইন বিষয়ে অধ্যায়নরত । তার মৃত্যুর সাথে সাথে পরিবারের সব স্বপ্ন শেষ। এই মৃত্যুর সঠিক তদন্ত দাবী করি।পুলিশ তাকে হত্যা করেছে। পুলিশকে অনুরোধ করেছিলাম কোন কিছুই যখন পান নাই তাহলে ওকে ছেড়ে দেন। কথা দিয়েও পুলিশ কথা রাখে নাই ।ওকে মারতে মারতে মেরেই ফেলল। কোথায় পাবো আমরা এই হত্যার ন্যায় বিচার?

এদিকে, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সুধীমহল ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *