👁 506 Views

সৈয়দপুর উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মরিয়ম নেছার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্ণীতির বিরুদ্ধে অভিযোগে আদালতে মামলা 

দুলাল সরকার, সৈয়দপুর-নীলফামারী প্রতিনিধি ঃ সৈয়দপুরে সোনাখুলী শিশু মঙ্গল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকা শাহানাজ আক্তার গত ২৫-০৮-২০২৬ ইং সৈয়দপুর নীলফামারী বিজ্ঞ আমলী আদালতে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মরিয়ম নেছা ও তার স্বামী মোঃ মাহাবুব রহমান (৫০) এর বিরূদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে বাদিনী শাহানাজ আক্তার মামলা সূত্রে জানা যায় ১ নং আসামী একজন ঘুষখোর দূর্ণীতি পরায়ন গত জানুয়ারী মাসে বাদীর প্রতিষ্ঠানে ওয়াশ ব্লকের কথা বলিয়া উৎকোচ গ্রহণ করে ওই সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে উৎকোচ না দেওয়ার কারনে ২০২৫ ও ২০২৬ অর্থ বছরের বিদ্যালয়ের পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনায় বরাদ্দের যাবতীয় কর্ম সম্পন্ন করা হলেও ১ নং আসামী অদ্যবধি চেকে স্বক্ষর প্রদান করেনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় প্রতিষ্ঠানটি ভোট কেন্দ্র হওয়ায় সরকারী নির্দেশনা মতে নিজস্ব অর্থায়নে বাদিনী সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেন। উক্ত ক্যমেরা স্থাপনে বিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাদিনীকে প্রদনের জন্য ১নং আসামীকে দিলে ১নং আসামী সু-কৌশলে উক্ত টাকা বাদিনীকে প্রদান না করিয়া আত্মসাৎ করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদিনীর প্রতিষ্ঠানের ল্যাপটপ, বিদ্যুৎ বজ্রপাত নিরোধক যন্ত্র, বিদ্যালয় ভিত্তিক মোবাইল সীম যার নং- ০১৭৯১৩২৩৮৯৫ যাহা তাহার স্বামী ২নং আসামীর মাধ্যমে তার নিজ বাড়ীতে লইয়া যান এবং যাওয়ার কারণে ওই বাদী গত ২৯/০৭/২৬ ইং তারিখ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর আবেদন করিলে জানার পর ১নং আসামী ভীষন ভাবে ক্ষিপ্ত হইয়া উঠেন। এমতাবস্থায় বিগত ঘটনার তারিখ ও সময় অর্থাৎ ৩০/০৭/২৬ ইং তারিখ ১ ও ২নং আসামী দুপুর অনুমান ১২:০০ ঘটিকার সময় বাদীর প্রতিষ্ঠানে আসিয়া বাদিনীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকেন। এক পর্যায়ে উক্ত তারিখে ১ ও ২নং আসামী বাদীনির প্রতিষ্ঠানের রেজুলেশন বহি বাদীর মোবাইল জোর পূর্বক ছিনিয়া নেওয়ার চেষ্ঠা করিলে বাদী দিতে অস্বীকার করিলে ১ ও ২নং আসামী বাদিনীর হাতে মোচর দিয়া হাতের বিভিন্ন পেশি ও হাতের হাড় স্থানচ্যুত করিয়া গুরুতর জখম করে। বাদী কাতর হইলে ২নং আসামী বাদিনীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের ভিডিও ফুটেস ডিলিট করিয়া দেন এবং রেজুলেশন বহি লইয়া যান। বাদিনীকে ঐ দিনে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়। অফিস সূত্রে জানা যায় প্রায় ৪ বছর ধরে মরিয়ম নেছা সহকারী শিক্ষা অফিসার হিসেবে কর্মরত সৈয়দপুর উপজেলায় রয়েছেন। বাদিনী আরো জানান, আদালতে মামলা করার পরেও তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। মামলা নং-সিআর ৬৬৮/২৬ সৈয়দপুর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *