👁 270 Views

মহাদেবপুরে কাজী হামিদুল হকের পৈতৃক সম্পত্তি দখল চেষ্টার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন 

মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর মহাদেবপুরে অন্যায়ভাবে খ্যাতিমান পরিবেশবিদ কাজী হামিদুল হকের পৈতৃক সম্পত্তি দখল চেষ্টার বিরুদ্ধে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মরহুম হামিদুল হকের স্ত্রী হামিদা আক্তার। এ সময় তার সাথে ছিলেন হামিদা আক্তারের ভাই মো. এমদাদুর রহমান ও হামিদুল হকের বড় ভাইয়ের ছেলে কাজী আব্দুস সোবহান। হামিদা আক্তার তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ন্যায় বিচার প্রাপ্তি, অধিকার আদায় ও সত্য নিশ্চিত করতে আজ আপনাদের সামনে এসেছি। কাজী হামিদুল হক ছিলেন অ্যাডভেঞ্চার গুরু! পাইওনিয়ার স্কুবা ডাইভার, মাউন্টেনিয়ার! শাহপরীর দ্বীপ থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপ পর্যন্ত বাংলা চ্যানেলের আবিষ্কারক, সমাজকর্মী ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের অন্যতম অগ্রণী মুখ। তিনি ছিলেন নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার উত্তরগ্রামের ভূতত্ত্ববিদ ও খনি প্রকৌশলী মসির উদ্দিন কাজী ও রাবেয়া খাতুনের সন্তান।
তিনি পড়াশোনা ও কর্মের জন্য আসাম, লাহোর, আমেরিকায় বসবাসের পর ১৯৯১ সালে দেশে ফিরে ঢাকার আজিমপুরে পৈত্রিক বাসায় বসবাস শুরু করেন। তখন থেকে নওগাঁ ও রাজশাহীর পৈতৃক জমিজমা দেখাশোনা করতে থাকেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে ২০১৩ সালে স্ত্রী হামিদাসহ ঢাকা ফেরার সময় পথিমধ্যে বাসে কাজী হামিদুল হক মৃত্যুবরণ করেন। কাজী হামিদুল হকের স্ত্রী হামিদা আক্তারের সহযোগিতায় তার বড় ভাই কাজী আজিজুল হক সমস্ত সম্পত্তি দেখাশোনার দায়িত্ব নেন। ২০২৩ সালে কাজী আজিজুল হক ও হামিদা আক্তার ১০০৪ খতিয়ানের ৭২৮, ৭২৯ দাগের ২.৭৪ একর জমি হস্তান্তর করেন হামিদা আক্তারের সন্তান আশিকুর রহমান আল মারুফকে। সেই জমি লিজ দিতে গেলে বিবাদী আজিজার রহমান জানান, কেয়ারটেকার কাজী গোলাম আযম জমি অন্য কাউকে বন্ধক দিয়েছে। যা সম্পূর্ণ অন্যায় এবং বেআইনি। এ নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে বিচার দেয়া হলে সেই বিচারের রায় হামিদা আক্তারের পক্ষেই হয় বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য যে, আশিকুর রহমান আল মারুফ দেশের বাইরে থাকায় তাই তার মা হামিদা আক্তারই সমস্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আরও জানান, আজিজার রহমান, কাজি গোলাম আযম এবং আজিজার এর আত্মীয় ভুয়াভাবে তারা প্রায় দুই বিঘা জমি নিজেদের নামে খারিজ করে নিয়েছেন। যার ফলশ্রুতিতে ওই খারিজের বিরুদ্ধে হামিদা আক্তার সহকারি কমিশনার (ভূমি) বরাবর মিস কেস দায়ের করেন। এরপরও আজিজার রহমান ওই জমি জোর করে দখলে রেখে ফসল উৎপাদন করছে এবং ফসল বিক্রি করছেন। এতে একজন খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বের বিধবা স্ত্রী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অসহায় জীবনযাপন করছেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি। #

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *