👁 462 Views

পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়ক সংস্কারের ১৫ দিনের মাথায় খানাখন্দে ভরপুর । যান চলাচলে ভোগান্তি। অনিয়মের অভিযোগ। তদন্তের দাবী।

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি  ::  পটুয়াখালী-কুয়াকাটা ৭১ কিলোমিটার মহাসড়কের ১৯ কিলোমিটার সংস্কারের ১৫ দিনের মাথায় খানাখন্দে ভরে গেছে। দায়সারা কাজ করায় এমন অবস্থা হয়েছে বলে অভিযোগ চালক ও স্থানীয়দের। দ্রুত তদন্ত করে পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া এবং সড়ক সংস্কারের দাবী তাদের।
জানাগেছে, পটুয়াখালী-কুয়াকাটা ৭১ কিলোমিটার মহাসড়ক। ২০০০ সালে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এ সড়ক নির্মাণ করেন। অভিযোগ রয়েছে নির্মাণ কালেই অনিয়মের কারনে কয়েক বছরের মাথায় সড়ক খানাখন্দে ভরে যায়। ২০১৮ সালে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এ সড়কের কিছু স্থানে সংস্কার করেন। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ৯’শ ১২ টি যানবাহন চলাচল করে। এর মধ্যে পরিবহন বাস, লোকাল বাস, ডিস্ট্্িরক ট্রাক, মিনি ট্রাক, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার। এর বাহিরেও সহ¯্রাধিক অবৈধ মাহেন্দ্র, ট্রলি, সিএনজি ও ব্যাটারীচালিত অটোগাড়ী চলাচল করে বলে জানান পটুয়খালী সেতুর টোল আদায় কর্তৃপক্ষ। গত ৮ বছরে সড়ক জুড়ে খানাখন্দে ভয়ে যায়।
এ বছর জুন মাসের শুরুর দিকে পটুয়াখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে মহিষকাটা স্ট্যান্ড পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার সড়ক পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগ মেরামত করেন। ৩০ জুন ওই কাজ শেষ হয়। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ায ১৫ দিনের মধ্যেই মহাসড়কে শত শত খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। খানাখন্দের কারনে সড়কে যানবাহন চলাচলে বিগ্ন সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানান গাড়ী চালকরা। অভিযোগ রয়েছে দায়সারা সড়ক ও জনপথ বিভাগ কাজ করায় ১৫ দিনের মধ্যে সড়কের পীচ উঠে খানাখন্দে পরিনত হয়ছে। দ্রুত সড়ক সংস্কার কাজের অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী গাড়ী চালক মোঃ নিজাম উদ্দিন, সালাম ও স্থানীয় ইমরান, রাসেল ও শাহ আলমের।
রবিবার সরেজমিনে ঘুরে দেখাগেছে, পটুয়াখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে মহিষকাটা পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার খানাখন্দে ভরে গেছে। এর মধ্য শাখারিয়া থেকে মহিষকাটা পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার শুধুই খানাখন্দ।
যাত্রী তানজিলা, জিয়া উদ্দিন জুয়েল ও নজরুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে মহাসড়কে কাজ করতে দেখলাম, এখন সেই মহাসড়ক খানাখন্দে ভরা।
তুহিন পরিবহন গাড়ীর চালক সাদ্দাম মিয়া বলেন, সড়কে খানাখন্দের কারনে গাড়ী চালাতে সমস্যা হচ্ছে। এতো অল্প সময়ে কিভাবে এতো খানাখন্দ হয় বুঝে আসে না?
পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারনে সড়কে খানাখন্দ হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই ওই সড়কের খানাখন্দ সংস্কার করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *