
সঞ্জয় ব্যানার্জী, পটুয়াখালী প্রতিনিধি।। আমন ধান ক্ষেতে সার ছিটানো, আগাছা পরিস্কার ও কীটনাশক প্রয়োগে ব্যস্ত সময় সময় পার করছেন পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার কৃষকেরা। তবে সার ঔষধের দাম বেশি হওযায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা।
দশমিনা কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে দশমিনা উপজেলায় ১৮ হাজার ২৫৮হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারন করা হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১০০ হেক্টর বেশি।
উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুওে দেখা যায়, মাঠে মাঠে সবুজের সমাহার। কিন্তু উচু স্থানের প্রায় ধান বের হয়েছে। তবে নিচু স্থানের ধান গাছ গামর হয়ে উঠেছে। আর ১২ থেকে ১৪ দিনর মধ্যেই শীষ বের হবে। আর তাই ধানের বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকেরা ক্ষেতে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করছেন। একই সঙ্গে তারা ক্ষেতের আগাছা দমন এবং পোকাদমনের জন্য কীটনাশক স্প্রে করছেন।
চলতি মেসৈুমে শুরুর দিকে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় জমিতে চারা রোপনে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে কৃষকদের। তবুও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে জমিতে পানির সেচ দিয়ে বীচ তলা তৈরি করেছেন। বর্তমানে প্রতিটি জমিতেই পর্যাপ্ত বর্ষার পানি রয়েছে। তবে এবছর আমন চাষে খরচ বেশি হচ্ছে বলে জানান কৃষকেরা।
উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিন দাস পাড়া গ্রামের চাষি দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার, জামাল মৃধা, আবুল হোসেন মৃধা, জামাল হাওলাদার, আলাউদ্দিন হাওলাদার, শংকর চন্দ্র শীল জানান, জমিতে আগাছা দমন, কীটনাশক স্প্রেসহ সার ছিটাচ্ছি। তবে এবছর ইউরিয়া সারের বস্তা কিনতে হয় ১হাজার ৪শ’ টাকায়। যা গত বছরের চেয়ে প্রায় ৬শ’ টাকা বেশি। তারা আরও জানান, ধানের ফলন ভালোই দেখায়। জিনিসপাতির দাম অনেক বেশি। তবুও চাষ করছি তা না হলে খাবো কি।
এবিষয়ে দশমিনা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষি বিদ জাফর অহমেদ বলেন, মাঠে ফলন অনেক ভালো দেখা যাচ্ছে। আমরা কৃষকদের সব ধরনের র্কষি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করছি। তিনি আরও বলেন, আমন মেসৈুমে কৃষকদেও বিনামূল্যে সার ও বীজ দেয়া হয়েছে।