👁 285 Views

বর্ণাঢ্য আয়োজনে চিওড়া আছগরিয়া ফাযিল মাদরাসার ৭০ বছর পূর্তি উৎসব পালিত

মু.আহসান উল্যাহ, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : চৌদ্দগ্রাম বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চিওড়া আছগরিয়া ফাযিল (ডিগ্রি) মাদরাসার ৭০ বছর পূর্তি উৎসব পালিত হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) মাদরাসা মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানটিতে মাদরাসার বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিলনমেলা পরিনত হয়েছে। এতে এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক, ব্যবসায়ী ও আমন্ত্রিত অতিথিরাও অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. ইলিয়াছ ছিদ্দিকী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাসির উদ্দিন মিয়াজী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী এবং মাই স্কুলের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. শাহনেওয়াজ কাজল, এ প্লাস গ্রুপের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মঈনুদ্দিন ভূঁইয়া নঈম এবং বিশ্বব্যাংকের কনসালট্যান্ট মো. সোহেল রানা।
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন চৌদ্দগ্রাম নজমিয়া কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ইসমাইল হোসেন এবং ৭০ বৎসর পূর্তি উৎসব উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল মুমিন।
অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চিওড়া আছগরিয়া ফাযিল মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি, বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. নাজমুল হক বাবর, অভিভাবক সদস্য জিয়াউর রহমান নয়ন।
আরো উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য ইউনুস চৌধুরী সোহাগ, এনামুল হাসান, ডা. কামরুজ্জামান ভূঁইয়া, মমিনুল ইসলাম, কাজী মোহাম্মদ ইলিয়াস, মহিউদ্দিন শরীফ ও মাওলানা আব্দুল মুমিনসহ আরও অনেকে।
উল্লেখ্য, মাদ্রাসার ৭০ বছরের গৌরবময় পথচলাকে স্মরণীয় করে রাখতে এ মিলনমেলার আয়োজন করা হয়। দীর্ঘদিন পর প্রাক্তন সহপাঠী ও শিক্ষকদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ পেয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে।
এ সময় তাঁরা পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণ করেন এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দীর্ঘ পথচলা, শিক্ষা বিস্তারে অবদান এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে এ মিলনমেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতেও এমন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।