👁 304 Views

ভালুকায় স্বামীর বিরুদ্ধে মাদক বিক্রির অভিযোগ স্ত্রীর

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি ময়মনসিংহের ভালুকায় স্বামীর বিরুদ্ধে মাদক বিক্রি ও সেবনসহ পরিবারের সদস্যদের মারধর করার অভিযোগ তুলে এবং ওই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়ে প্রতিকার চাইলেন স্ত্রী হনুফা (৪২)। এদিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটকে পুলিশে খবর দিলেও কোন সহযোগীতা করা হচ্ছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার মল্লিকবাড়ি ইউনিয়নের আখালিয়া হাজীর বাজার এলাকার।
থানায় দেয়া অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হনুফা উপজেলার মল্লিকবাড়ি ইউনিয়নের আখালিয়া হাজীর বাজার এলাকার মো. রফিকুল ইসলাম রবুর (৪৫) স্ত্রী। তিনি এক মেয়ে এক ছেলের জননী। মেয়ে এবং তিনি স্থানীয় একটি কারখানায় চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। ছেলে চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। তার স্বামী মো. রফিকুল ইসলাম রবু একজন মাদকসেবী ও এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মাদক সেবন ও বিক্রিতে পরিবারের কারো বাধা তিনি শুনেন না। বরং উল্টো স্ত্রী-কন্যাকে মাদক বিক্রির কাজে তাকে সহায়তা করতে বলেন। এলাকার লোকজন তাকে একাধিকবার সাবধান করলেও তিনি তা আমলে নিচ্ছেন না। বিভিন্ন ধরনের লোকজনকে বাড়িতে নিয়ে তিনি মাদক সেবন করেন এবং স্ত্রী, সন্তানদের প্রায়ই মারধর করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ জুলাই বিকেলে রবু অজ্ঞাত পরিচয়ের ৩-৪ জন ব্যক্তিকে মাদক সেবনের জন্যে বাড়িতে নিয়ে যান। ওই সময় বাধা দিলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে তার মেয়ে শভাকে মারপিট করেন। তাছাড়া, মাদক বিক্রিতে সহায়তা না করলে তাদেরকে মারপিট, খুন-জখমসহ বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার হুমকীও দেন। ওই ঘটনায় হনুফা বাদি হয়ে ভালুকা মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন।
হনুফা জানান, তার স্বামী মাদক বিক্রি ও সেবন করেন এবং তাদেরকেও তার মাদক বিক্রিতে সহায়তা দিতে বলেন। তার অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে তিনি থানায় অভিযোগ দিয়েছে।
এদিকে গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১ টার সময় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবুকে তার বাড়িতেই স্থানীয়রা আটকে থানয় সংবাদ দিলেও যথা সময়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে না যাওয়ায় দেড় ঘন্টা পর অভিযুক্ত কৌশলে পালিয়ে যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা জানান, থানায় অভিযোগ দেয়ার কারণে যেকোন সময়ে রবু তার পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা করতে পারে।
যোগাযোগ করতে না পারায় অভিযুক্ত মো. রফিকুল ইসলাম রবুর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
ভালুকা মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, ওই বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *