👁 430 Views

জরুরী সেবা ৯৯৯ ফোন দিয়ে উদ্ধার ;  ক্লাবের রোপিত গাছ ভাঙ্গার অভিযোগে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা,    পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। 

বিশেষ প্রতিনিধি: দিনাজপুরের খনিজ শিল্পাঞ্চল মধ্যপাড়া গুড়গুড়ি নামক পল্লিতে সরকারি রাস্তার পাশে  ইয়াং স্টার ক্লাবের রোপিত আম গাছ একই গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে কামরুজ্জামান ভেঙ্গেছে মর্মে ক্লাব সদস্যরা তার বাড়িতে গিয়ে  বিষয় টি নিয়ে  তর্কযুদ্ধে লিপ্ত হয়। সেখানে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হলে কামরুজ্জামান জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন দিলে স্হানীয় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ  দ্রুত ঘটনা স্হলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।  পরবর্তীতে ক্লাবের সদস্যরা মধ্যপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ১টি অভিযোগে দাবি করেন  ৬০টি আম গাছচারা রোপিত হওয়ার পর কে বা কারা গাছ গুলো ভেঙ্গে নষ্ট করে। কিন্তু  ২৭জুন/২৬  তাদের রোপিত আম গাছ  কামরুজ্জামান ভেঙ্গেছে  যার প্রত্যক্ষ দর্শী আল-আমীন রয়েছে। তাই  সুষ্ঠু সঠিক প্রতিকার চাই। পক্ষান্তরে  প্রতিপক্ষ কামরুজ্জামান  অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওরা আমার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে ষড়যন্ত্র করেছে, তাদের অভিযোগ নামায় আল-আমীন নামক যে ব্যাক্তিকে স্বাক্ষী করা হয়েছে তার সঙ্গে আমার দীর্ঘ চার বছর থেকে কোন কথাবার্তা হয় না। আমগাছ ভাঙ্গার ষড়যন্ত্র মুলক অভিযোগ তুলে ওরা ২৭জুন/২৬ দুপুর আড়াই টায়  আমার বসতবাড়ির গ্রীলের তৈরি সদর দরজা ভেঙ্গে অনাধিকার প্রবেশ করে  আমাকে এবং আমার স্ত্রী কে মারধর করে, আমি জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ দ্রুত গতিতে উপস্থিত হলে অপরাধীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আমি পার্বতীপুর মডেল থানা অফিসার  ইনচার্জ এর নিকট লিখিত এজাহার করেছি।  এজাহারে  সুত্রে জানা গেছে – গুড়গুড়ি গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে মোঃ আল আমিন ও মোঃ বুলবুল ইসলাম এবং আনিছুল হকের ছেলে মোঃ হাবিব ও মোঃ মেহেদি , বুলবুলের স্ত্রী বিলকিস বেগম ঘটনার দিন আক্রমণ চালিয়ে প্রায় চল্লিশ হাজার টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন সহ বিভিন্ন মালামাল বিনষ্ট করেছে।আমার স্ত্রীর গলায় থাকা ৬০ হাজার টাকা মুল্যের স্বর্ণের জোর করে কাড়িয়া নিয়েছে, স্ত্রীর পরনের পোশাক টানা হেচড়া করে জোর পূর্বক বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। আহত স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জরুরী বিভাগে ভর্তি করাই, যার রেজিঃনং ১৩০২/২১৮/০৬ তারিখ ২৯ /০৬/২৬
 আমগাছ নষ্টকে কেন্দ্র করে পাল্টা পাল্টি অভিযোগ দাখিলের ঘটনা সচেতন মহলকে ভাবিয়ে তুলেছে। এ বিষয়ে সিনিয়র প্রধান শিক্ষক খন্দকার এইচ আর হাবিব বলেন, উভয় পক্ষই আমার সঙ্গে কথা বলেছে আমি তাদেরকে শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছি নিশ্চয়ই বসলে  সুষ্ঠু সমাধান হবে এবং  পরমতসহিষ্ণুতার মাধ্যমে উভয় পক্ষকে সহনশীল হয়ে প্রকৃত বিষয় টি নিরসনে নিশ্চয়ই এলাকার সমাজ সচেতন মহল উদ্যগ নিবেন।