
এস,আর শরিফুল ইসলাম রতন, লালমনিরহাট। ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলিমারীতে ঘটে যাওয়া শিশু নন্দিনী হত্যার সাথে জড়িত,আসামি বিধান চন্দ্রের বাড়ির দুটি গরু নিয়ে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে একটি পক্ষ মনগড়া অপপ্রচার চালিয়ে আমার সুনাম ক্ষুন্ন করছে,তাদের প্রতি আহ্বান থাকবে তারা ঘটনাস্থলে এসে প্রকৃত ঘটনা জেনে সংবাদ পরিবেশন করুন,এমন কথা জানালেন ভেলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম কিবরিয়া রিপন মাষ্টার।
আলাপচারিতায় রিপন মাষ্টার বলেন,শিশু নন্দিনীর লাশ উত্তোলনের পরে ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলিমারীতে যে তান্ডব চলেছে এটা সারা দেশের মানুষ অবগত,হত্যাকারী বিধান চন্দ্রের বাড়ী সেদিন উত্তেজিত জনতা ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়,বিধান চন্দ্রের দুটি পোষা গরু নন্দিনীর পিতা নলিনী চন্দ্র বর্মনের বাড়িতে গচ্ছিত ছিল,মঙ্গলবার ১৭ই জুন নলিনী চন্দ্র বর্মন গরু দুটি রাখতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ভেলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিপন মাষ্টারের উপস্থিতিতে স্থানীয় মন্দির কমিটির লোকজনের সম্মুখে ফেরত দেন,তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে গরু দুটি আসামী বিধান চন্দ্রের কাকা অনিল চন্দ্রের বাড়ীতে রাখা হয়।গরু দুটি দুদিন অনিল চন্দ্রের বাড়ীতে থাকলেও মুল আসামির কাকা হবার সুবাধে বিভিন্ন হুমকী ধামকি পাওয়ায় ১৯ জুন বৃহস্পতিবার সকলের উপস্থিতিতে গরু দুটি তার জিম্মায় রাখতে অপরাগতা প্রকাশ করেন,বাধ্য হয়ে সকলের পরামর্শে গরুদুটি সর্বোচ্চ দামে বিক্রয় করতে প্রকাশ্যে নিলাম ডাকা হয়,সেই নিলামে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী ৫০/৬০ জন উপস্থিতির পাশাপাশি মন্দির কমিটির সাধারন সম্পাদক মানিক চন্দ্র,বিনোধ,লিটন,সন্তোষ মহাজন এবং ইউপি সদস্য করিম মেম্বার সহ বিএনপি নেতা রিপন মাষ্টার উপস্থিত ছিলেন।সকলের মতামতের ভিত্তিতে ১লাখ ৭৭ হাজার টাকা গরু দুটি বিক্রয় করা হয়,বিক্রিত টাকা বিধানের কাকার পরামর্শে কার্তিক মাষ্টারের কাছে গচ্ছিত রাখা হয় উপস্থিত গন্যমান্য ব্যাক্তির পরামর্শক্রমে।
গরু বিক্রিত টাকা আমি রিপন মাষ্টার কিংবা আমার কোন লোক হাত দিয়ে ছু্ঁয়ে দেখেনি এবং আমার কাছে গচ্ছিত নেই,তথাপি একটি পক্ষ আমার সামাজিক এবং রাজনৈতিক অবস্থান কে খাটো করতে উঠেপড়ে লেগেছে,বিভ্রান্তমুলক তথ্যদিয়ে মিথ্যে,বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করে,যা আমার গোচরভুত হয়,সাংবাদিক সমাজ জাতির বিবেক তাদের সন্মান রেখে আমি বলতে চাই,আপনারা ঘটনাস্থলে এসে তথ্য যাচাই করুন,সঠিক তথ্য তুলে ধরুন।গরু জিম্মা রাখা,গরু বিক্রয়,গরু টাকা গচ্ছিত রাখার সকল পক্রিয়া এলাকাবাসী করেন,
আমি একজন সামাজিক মানুষ হিসেবে বিশৃঙ্খলা এড়াতে আমার উপস্থিতিতে কাজ গুলো করা হয়।
রাজনৈতিক দলের ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো,মানুষের সেবা করা আমার ধর্ম,সেই ব্রত নিয়ে সামাজিক বিশৃঙ্খলা এড়াতে আমার সম্পৃক্ততা।
বিধান চন্দ্রের গরু নিয়ে আনিত অভিযোগ যাতে না থাকে এবং নিস্কন্টক করতে ২২জুন সোমবার সকলের উপস্থিতিতে সকল পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি কমলেশ্বর বর্মনের কাছে গরু বিক্রিত ১লাখ ৭৭হাজার টাকা জমা রাখা হয়।সেখানে ফলিমারী মন্দির কমিটির সাধারন সম্পাদক মানিক চন্দ্র,সন্তোষ মহাজন, লিটন চন্দ্র,বিনোধ বর্মন,সহিদার রহমান,করিম মেম্বার সহ ৫০থেকে ৬০ জন ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে ঘটনার সুরাহা টানেন।
সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরে আপনারা সংবাদ পরিবেশন করুন।