
মোঃ রিয়াজ।। পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এক বুদ্ধি ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৪) জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের ফলে ওই কিশোরী বর্তমানে ৯ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে।
এই ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে আজ ১০ জুন (বুধবার) বাউফল থানায় উত্তর রাজনগর গ্রামের শহিদুল খানের ছেলে মোঃ সাব্বির খান ওরফে রাব্বি (১৯)-কে একমাত্র আসামি করে একটি এজাহার দায়ের করেছেন।
এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভিকটিম কিশোরী উপজেলার বগা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের উত্তর রাজনগর গ্রামের এক দিনমজুরের মেয়ে। সে জন্মগতভাবেই বুদ্ধি ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী।
গত ৫ মার্চ থেকে ৩০ মার্চের মধ্যে কোনো এক সময়ে কিশোরীটি তার ছোট ভাইকে খোঁজার জন্য প্রতিবেশী বাঘা হাওলাদারের বাগানের পাশে যায়। এ সময় নির্জন বাগানের সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত সাব্বির খান রাব্বি ওই কিশোরীর ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে (খড়ের গাদার) পাশে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
সম্প্রতি কিশোরীটি শারীরিকভবে অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে স্থানীয় বগা বাজারের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা করানো হয়। তাতে সুস্থ না হওয়ায় পটুয়াখালী সদরের প্রসূতি ও গাইনী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয়।
পরীক্ষা শেষে চিকিৎসক জানান, ওই প্রতিবন্ধী কিশোরী বর্তমানে ৯ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা।
পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন কিশোরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ইশারায় ও ইতঃস্তত করে ঘটনার দিন সাব্বির খান রাব্বি তাকে জোরপূর্বক মুখ বেঁধে ধর্ষণ করেছে বলে জানায়।
এ ঘটনার পর আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে আলোচনা করে থানায় এজাহার দিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করেন বাদী।
এই বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, ভিকটিমের অভিযোগের ভিত্তিতে আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। ভিকটিমের শারীরিক পরিক্ষা নীরিক্ষার জন্য আগামী কাল মেডিকেলে পাঠানো হবে।