
স্টাফ রিপোর্টার বগুড়াঃ “তালোড়া শাহ এয়তেবারিয়া কামিল মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতনবন্ধসহ সৃষ্ট সমস্যা সমাধান।”দুপচাঁচিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরুখ খান।
“তালোড়া শাহ এয়তেবারিয়া কামিল মাদ্রাসা”-এর শিক্ষকদের বেতন বন্ধ এবং বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের দাবিতে করা একটি ভিডিওর জন্য কার্যকর ইউটিউব ডেসক্রিপশন দেওয়া হলো

বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলাধীন তালোড়া শাহ এতেবাড়িয়া কামিল মাদ্রাসা অধ্যক্ষ কে লাঞ্ছিত মাদ্রাসায় ঢুকতে বাধা দেন কতিপয় মব সৃষ্টিকারী।
শিক্ষক কর্মচারীদের সাত মাসের বেতন ভাতা বন্ধ হবার কারণে মাননীয় হাই কোটের নির্দেশে ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব শাহরুখ খান অদ্য ১২ -৫-২৬ তারিখে শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন বিলে স্বাক্ষর করেন।শিক্ষক কর্মচারীদের সাত মাসের বেতন ভাতা বন্ধ ছিল।
এ বিষয়ে মাদ্রাসা অধ্যক্ষ জনাব জিএম মোস্তাফিজুর রহমান তার বর্ণনা দিয়েছেন। মাদ্রাসাটির শিক্ষা ব্যবস্থা একেবারেই নাজুক পরিস্থিতির সৃষ্টি হবার কারণে সমস্যা সমাধান কল্পে এটিই দরকার ছিল বলে ওই এলাকাবাসী ও ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ মাদ্রাসা এলাকার সুধীমহল এলাকার শিক্ষাবিদগণ বক্তব্য প্রদান করেছেন ।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় দুপচাঁচিয়া, বগুড়া.
স্মারক নম্বর: ০৫.৫০.১০৩৩,০০০.১১.০৩৮.২৬. ৫৮১তারিখঃ ০৭.০৫.২০২৬ খ্রিঃ।
বিষয়: মহামান্য হাইকোর্টের রিট পিটিশন ন০৪৮৭০/২০২৬ এর গত ০৪/০৫/২০২৬ খ্রিঃ আদেশ মোতাবেক মাদ্রাসায় উপস্থিত হয়ে বেতন বিলে স্বাক্ষর করা প্রসঙ্গে।
সূত্র: উপাধ্যক্ষ, তালোড়া শাহ্ এয়তেবাড়িয়া কামিল মাদ্রাসা, দুপচাঁচিয়া, বগুড়ার ০৭/০৫/২০২৬ তারিখের আবেদন।
উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রেবর্ণিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, মহামান্য হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং-৪৮৭০/২০২৬ এর গত ০৪/০৫/২০২৬ তারিখের আদেশ মোতাবেক তালোড়া শাহ্ এয়তেবাড়িয়া কামিল মাদ্রাসা, দুপচাঁচিয়া, বগুড়ায় কর্মরত শিক্ষক/কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদি বিলে আগামী ১২/০৫/২০২৬ তারিখ বেলা-১১.০০ ঘটিকায় মাদ্রাসায় উপস্থিত হয়ে স্বাক্ষর করার জন্য অনুরোধ করা হলো। অন্যথায় অত্র প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ কর্তৃক বেতন বিলে স্বাক্ষর নেয়া হবে।
০৭.০৫.২০২৬
প্রেরক
মোঃ শাহরুখ খান উপজেলা নির্বাহী অফিসার দুপচাঁচিয়া বগুড়া। ও সভাপতি তালোড়া শাহ্ এয়তেবাড়িয়া কামিল মাদ্রাসা দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।
প্রাপক জনাব জি.এম মোস্তাফিজুর রহমান
অধ্যক্ষ তালোড়া শাহ্ এয়তেবাড়িয়া কামিল মাদ্রাসা দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।
অনুলিপি সদয় অবগতি/ অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হলো:
০১. জেলা প্রশাসক, বগুড়া।
০২. জেলা শিক্ষা অফিসার, বগুড়া।
০৩. উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।
০৪. জনাব মুহাঃ মোশাররফ হোসাইন, উপাধ্যক্ষ, তালোড়া শাহ্ এয়তেবাড়িয়া কামিল মাদ্রাসা, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া। তাকে আগামী ১২/০৫/২০২৬ তারিখ বেলা-১১.০০ টা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।০৫. অফিস কপি।
তারা হলেন তালোড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুল জলিল খন্দকার। ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ মোশারফ হোসেন মুন্সী সেলিম। তালোড়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ আবু হাসান আজাদ। মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মোহাম্মদ মোশারফ হোসাইনসহ প্রমুখ ব্যক্তি।দুপচাঁচিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম ফারুক।বাংলাদেশ প্রেসক্লাব সভাপতি মোছাব্বর হাসান মুসা। বগুড়া প্রেসক্লাবের সদস্য আবুল কালাম আজাদ।উপজেলা প্রেসক্লাবের অরবীন্দ্র কুমার।মাদ্রাসার সকল শিক্ষক কর্মচারী সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।
🎬 ভিডিও ডেসক্রিপশন
তালোড়া শাহ এয়তেবারিয়া কামিল মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন বন্ধ! সংকট নিরসনে জরুরি পদক্ষেপের দাবি।
বিস্তারিত বিবরণ:
তালোড়া শাহ এয়তেবারিয়া কামিল মাদ্রাসার সম্মানিত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বেতন বন্ধ থাকায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। আজকের এই ভিডিওতে আমরা মাদ্রাসার বর্তমান পরিস্থিতি, শিক্ষকদের বেতন বন্ধ হওয়ার পেছনের কারণ এবং এই জটিল সমস্যা সমাধানের সম্ভাব্য উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
📌 ভিডিওতে যা থাকছে:
মাদ্রাসার বর্তমান সংকটের প্রেক্ষাপট।শিক্ষকদের বকেয়া বেতন ও আর্থিক সমস্যার কথা।মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদ ও প্রশাসনের ভূমিকা।সমস্যা সমাধানে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি।
📢 আমাদের দাবি:
১. অবিলম্বে শিক্ষকদের সকল বকেয়া বেতন পরিশোধ করতে হবে।
২. মাদ্রাসার প্রশাসনিক জটিলতা দ্রুত নিরসন করতে হবে।
৩. শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মোশাররফ হোসেন সাংবাদিকদের জানান ২৩-৮-২০২৪ তারিখ থেকে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল উপস্থিত ছিলেন। সে কারণে বগুড়া এডিসি ৫-১২-২০২৪ ইং তারিখে অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। বারো ২০১৪৪ ইং তারিখে একটি রিড করে মহামান্য হাইকোর্ট বরখাস্তের আদেশ স্থগিত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ১৪ ৯৯০/২৪ রীট করে ২৯-১০-২৫তারিখে একটি আপিল করে অধ্যক্ষ মহোদয় রায় পান।

এ বিষয়ে মাদ্রাসা অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমানকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন তিনি ১১ টা পাঁচ মিনিটে মাদ্রাসা গেটে ঢুকতেই তাকে মব সৃষ্টিকারীর কতিপয় উচ্ছৃংখল ছেলেপেলেরা হেনস্তা করে। তার সন্তানকেও মারপিট করে সাটের কাপরটা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।ঐ ঘটনায় তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।তাকে আমার স্ত্রী পুত্ররা সেখান থেকে ভ্যানে করে দ্রুত দুপচাঁচিয়া হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা গ্রহণ করে। তিনি জানান মব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইন গত ব্যাবস্থা নিতে যাচ্ছি।