👁 419 Views

৯ লাখ অভিবাসীর স্ট্যাটাস অবৈধভাবে বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন: বিচারকের রায়

ইমা এলিস/বাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট (ডিএইচএস) প্রায় ৯ লাখ অভিবাসীর আইনি মর্যাদা অবৈধভাবে বাতিল করেছে এমন রায় দিয়েছেন এক ফেডারেল বিচারক।
২০২৫ সালের একটি ক্লাস অ্যাকশন মামলায় অ্যালিসন বুরোস ৩১ মার্চের রায়ে বলেন, ডিএইচএস নিজস্ব আইন ও নিয়ম ভঙ্গ করে সেইসব অভিবাসীদের ‘প্যারোল’ স্ট্যাটাস বাতিল করেছে, যারা সিবিপি ওয়ান অ্যাপের মাধ্যমে বৈধ প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন।
বাইডেন প্রশাসনের সময় চালু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় আশ্রয়প্রার্থীরা সীমান্তে সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করে যাচাই-বাছাই শেষে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেতেন এবং তাদের আশ্রয় আবেদনের শুনানি না হওয়া পর্যন্ত দেশে থাকার সুযোগ দেওয়া হতো।
তবে ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় এসে ২০২৫ সালের এপ্রিলেই সিবিপি ওয়ান কর্মসূচি বাতিল করে এবং সংশ্লিষ্ট অভিবাসীদের ইমেইল দিয়ে জানায় যে তাদের আইনি মর্যাদা বাতিল করা হয়েছে এবং দ্রুত দেশ ত্যাগ করতে বলা হয়।
বাদীপক্ষের দাবি, এভাবে ৯ লাখের বেশি অভিবাসীর প্যারোল স্ট্যাটাস বাতিল করা হয়েছে, যদিও তারা যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত নিয়ম মেনে প্রবেশ করেছিলেন।
বিচারক বারোউস রায়ে বলেন, ডিএইচএস আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে এই পদক্ষেপ নিয়েছে, যা ‘আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’
অন্যদিকে ডিএইচএস এই রায়কে ‘বিচারিক সক্রিয়তা’ বলে উল্লেখ করে দাবি করেছে, ফেডারেল আইনের অধীনে তাদের প্যারোল বাতিলের পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে এবং এটি সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের অংশ।
এই রায়ের ফলে প্রভাবিত অভিবাসীদের জন্য আইনি মর্যাদা পুনরুদ্ধার বা বহিষ্কার স্থগিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১৬ মে থেকে ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারির মধ্যে সিবিপি ওয়ান-এর মাধ্যমে প্রবেশ করা অভিবাসীরা এর আওতায় পড়বেন।
বাদীপক্ষের প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা ডেমোক্রেসি ফরোয়ার্ড-এর প্রেসিডেন্ট স্কাই পেরিম্যান বলেন, ‘আমাদের ক্লায়েন্টরা আইন মেনেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন। তাদের এই মর্যাদা হঠাৎ করে কেড়ে নেওয়া ছিল অবৈধ ও নিষ্ঠুর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *