
শাহজাহান হেলাল,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি ৭ এপ্রিল ২০২৬খ্রি. মঙ্গলবার : ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার সাধারণ যান চলাচল ও মোটরসাইকেলে সীমিত হাড়ে একদিন পর একদিন পেট্রোল দিলেও মঙ্গলবার উপজেলার সদরে অবস্থিত মেসার্স মোজাফফর ফিলিং স্টেশনে সীমিত আকরে তেল দেওয়া হচ্ছে। চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না বলে সাধারণ যানবহন এর মালিকগনের দাবী। মধুখালী উপজেলা সদরে দুটি ও মাঝকান্দি ও কামারখালীতে মোট ৪ পেট্রোল পাম্প রয়েছে। ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকেই দেখা যায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ভারি যানবাহন ট্রাক ও কৃষি কাজের ট্রলির বিশাল লাইন মোজাফফর ফিলিং স্টেশনে। একই সাথে দেখা যায় শতশত মোটরসাইকেল বিশাল লাইনে দাড়িয়ে পেট্রোল নিতে অপেক্ষা করছেন মানুষ পাম্প থেকে লাইন দিয়ে উপজেলা পরিষদের ভিতর পর্যন্ত। রাত্রী থেকে সীমিত আকরে ৩শ টাকা প্রতি মটরসাইকেলে পেট্রোল দিচ্ছেন। এ ছাড়া স্থানীয় কৃষিকাজে কৃষক ও ট্রাকসহ যানবহন তাদের ডিজেল নেওয়ার জন্য লাইনে দাড়িয়ে তেল নিতে হচ্ছে সীমিত আকারে। মোজাফ্ফর ফিলিং স্টেশন কর্তপক্ষ জানান, খুলনা থেকে আমাদেরকে সোমবার দিবাগত রাতে ৩ হাজার লিটার পেট্রোলএবং ৯হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়। আমরা রাত থেকে পেট্রোল এবং ডিজেল স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তেল দিতে শুরু করি। এখনও বিশাল লাইন তেল নিতে অপেক্ষা করছেন মানুষ । আবার মাঝে মাঝে বিদুৎ না থাকায় তেল দিতে সমস্য হচ্ছে। উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) মোঃ এরফানুর রহমানের উপস্থিতিতে ও পুলিশরেসহ যোগিতায় গভীর রাত অবধি তেল বিতরণ করছি। পেট্রোল ও ডিজেল যতক্ষণ থাকবে ততক্ষণ দিব। আগামী কাল বুধবার আমরা তেল পাবনা। আগামী বৃহস্পতিবার তেল পেলে আবার রাতে তেল দিতে পারবো। এ দিকে সাধারণ অনেকের অভিযোগ উপজেলার মথুরাপুর বাজার, জামালপুর বাজারসহ কয়েকটি স্থানে টাকা বেশী দিয়ে ১৪০ টাক াপ্রতি লিটার ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে খোলা বাজারে। স্থানীয় বেশকিছু লোক মটরসাইকেলে তেলনিয়ে সেখান থেকে তেল বেরকরে বেশী দরে বিক্রি করে আবার পেট্রোল পাম্পে তেল নেওয়ার জন্য লাইনে দাড়িয়েছেন। এমন অভিযোগ করতে দেখা যায়। প্রশাসন শক্ত হাতে না নিলে এভাবেই মোটরসাইকেলের লাইন দীর্ঘ হতে থাকবে প্রতিনিয়ত।
এ বিষয়ে সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহীম্যাজিস্ট্রেট মো.এরফানুর রহমান জানান, আমরা সব সময় থাকতে পারিনা। এ ধরণের দুটি অভিযোগের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারলে তাদেরকে আমরাঅ াইনের আওতায় নিয়ে আসবো।