👁 385 Views

যুক্তরাষ্ট্রে হামিদেহ  ও তার মেয়ের গ্রিন কার্ড বাতিল, গ্রেপ্তার

ইমা এলিস/বাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-এর নির্দেশে ইরানি সামরিক নেতা কাসেম সোলেইমানির ভাতিজি ও নাতনি-সমতুল্য আত্মীয়কে গ্রেপ্তার করেছে ফেডারেল এজেন্টরা এবং তাদের আইনি মর্যাদা বাতিল করা হয়েছে।
রুবিও শনিবার ঘোষণা করেন, হামিদেহ সোলেইমানি আফশার ও তার মেয়ের গ্রিন কার্ড বাতিল করা হয়েছে, কারণ তারা ইরানের শাসনব্যবস্থার সমর্থন করেছেন এবং ‘আমেরিকান সৈন্যদের ওপর হামলা উদযাপন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিনি সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, সম্প্রতি পর্যন্ত হামিদেহ সোলেইমানি আফশার ও তার মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডধারী হিসেবে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছিলেন।
আফশার নিহত ইরানি মেজর জেনারেল কাসেম সোলেইমানির ভাতিজি। তাকে ইরানি সরকারের কট্টর সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যিনি যুক্তরাষ্ট্রকে’ ‘গ্রেট স্যাটান’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং আমেরিকানদের বিরুদ্ধে হামলার প্রশংসা করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
রুবিও জানান, ‘এই সপ্তাহে আমি তাদের আইনি মর্যাদা বাতিল করেছি এবং তারা এখন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইসিই) -এর হেফাজতে রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের অপেক্ষায়।’
তিনি আরও বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এমন কোনো বিদেশি নাগরিককে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ দেবে না, যারা আমেরিকাবিরোধী সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থাকে সমর্থন করে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, আফশার সামাজিক মাধ্যমে ইরানের ‘স্বৈরাচারী ও সন্ত্রাসী’ শাসনব্যবস্থার পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে তিনি ইরানি প্রোপাগান্ডা ছড়িয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সৈন্যদের ওপর হামলার প্রশংসা করেছেন এবং ইসলামিক বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী-এর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন, যাকে যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তার স্বামীকেও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এই ঘোষণার সময়, ইরানের আকাশসীমায় বিধ্বস্ত একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে উদ্ধারের অভিযান দ্বিতীয় দিনে গড়ায়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করেছেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালী খুলে না দেয় যেখান দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয় তাহলে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে একটি ড্রোন হামলায় কাসেম সোলেইমানি নিহত হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *