
আশিকুর রহমান সবুজ,শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে সীমা রানী দাস (২৫) নামে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী উদ্ভব দাসের বিরুদ্ধে।
হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত স্বামী নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ এবং তাঁর স্বামীকে আটক করা হয়।
রোববার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের চিনাশুকানিয়া গ্রামের বড়চালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সীমা রানী দাসের শরীর, মাথা ও গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনার পর স্বামী উদ্ভব দাস নিজেই ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা রনি জানান, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রায়ই ঝগড়াঝাঁটি হতো। তবে কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। ঘটনার রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।