👁 295 Views

ঢাকার আনাচে-কানাচেতে ৪ঘন্টা ঘুরে দেখলেন কুরবানির সব বর্জ্য অপসারণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে কিনা।।

স্টাফ রিপোর্টার বগুড়াঃ

প্রধানমন্ত্রী আজকে দুপুর ২টার দিকে কাউকে পূর্ব থেকে না জানিয়ে গাড়ি নিয়ে বের হলেন, ঢাকার আনাচে-কানাচেতে ৪ঘন্টা ঘুরে দেখলেন কুরবানির সব বর্জ্য অপসারণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে কিনা।

বের হওয়ার কয়েক ঘন্টা আগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি প্রশাসককে কল দিয়ে বললেন, আমার বাসার সামনে থাকবেন দুপুরের আগে।

কী কাজে, সেটা বলেন নাই।

উনারা স্বাভাবিকভাবে কিছুটা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ছুটে গেলেন প্রধানমন্ত্রীর বাসার সামনে।

উনারা বাসায় পৌঁছালে তাদের নিজ নিজ গাড়ি ছেড়ে দিয়ে অপেক্ষা করতে বললেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী নিজের গাড়ির স্টিয়ারিং সিটে বসে উনাদের বললেন আমার গাড়িতে ওঠে বসেন।

পরে তাদের নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেন। এরমধ্যে
হাতিরপুল, গ্রিনরোড, ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজারে কিছু স্থানে কোরবানির বর্জ্যের পাশাপাশি বৃষ্টির কারণে আগের জমে থাকা ময়লা রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে সাথে সাথেই সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর আঞ্চলিক দুই নির্বাহী কর্মকর্তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করেন।

একই সঙ্গে দুই কর্তাকে দায়িত্বে অবহেলার কারণে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিলেন।

‘চেষ্টা করতে গিয়ে কোনো কাজ আপনি পরিপূর্ণভাবে শেষ না-ই করতে পারেন, বাট কাজে অবহেলা, জনগণের সাথে ফাঁকিবাজি করবার চেষ্টা করা, এ ব্যাপারে আমার অবস্থান নো কম্প্রোমাইজ।’

তারেক রহমান, এই মানুষটার জন্য আমার মায়া হয়, উনার কাজে ইন্টিগ্রিটি আছে, দেশে নষ্ট সিস্টেমে পরিবর্তন করার জন্য উনার ইচ্ছেশক্তিও আছে, বাট উনার আশেপাশে অসৎ লোকে ভরা। যাদের নিয়ে সরকার ফাংশন করাচ্ছেন তাদের ম্যাক্সিমামের লক্ষ থাকে কীভাবে কাজে ফাঁকি দিবে, শুধু এ চিন্তা।

গতকাল সারাদিনই উনার কেটেছে বিভিন্ন দপ্তরের, বাহিনী ও পেশাজীবি সংগঠনের মানুষজনের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ে, আজ ছুটির দিন পরিবারের সঙ্গে কাটানোর কথা; অথচ উনাকে ঈদের পরের দিনেই গাড়ির স্টিয়ারিং হাতে ৪ ঘন্টা ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে তদারকি করতে হলো কুরবানির বর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থাপনার কাজ ঠিকঠাকমতো হয়েছে কিনা।

এই কাজটা তো উনার করার কথা নয়। সিটি কর্পোরেশনের যাদের দায়িত্ব তদারকি করা, তারা ঠিকমতো ১ ঘন্টা কাজে ব্যয় করেছেন কিনা, সন্দেহ আছে।- ✍️ঢাকার জনৈক অধিবাসীর লেখা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *