
বার্তা সংস্থা পিপ (পাবনা) : ভুয়া ঋণ বিতরণ দেখিয়ে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় গ্রামীণ ব্যাংকের এক সাবেক কর্মকর্তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আত্মসাতের অর্থের সমপরিমাণ ৯ লাখ ২৪ হাজার ৮ টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) পাবনার স্পেশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু সালেহ মো. সালাহউদ্দিন খাঁ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাঁকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার গ্রামীণ ব্যাংকের ভদ্রঘাট শাখার সাবেক সিনিয়র কেন্দ্র ব্যবস্থাপক। একই মামলার অপর দুই আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁদের খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন, ওই শাখার সিনিয়র কেন্দ্র ব্যবস্থাপক (দ্বিতীয় কর্মকর্তা) সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং শাখা ব্যবস্থাপক মো. আনোয়ার হোসেন পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া ঋণ বিতরণ দেখান। তাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ব্যাংকের ১০ লাখ ১১ হাজার ৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি দুদকের পাবনা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. সাইদুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়ার মধ্য দিয়ে মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তও স্পষ্ট হয়।
বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) পাবনার স্পেশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু সালেহ মো. সালাহউদ্দিন খাঁ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাঁকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার গ্রামীণ ব্যাংকের ভদ্রঘাট শাখার সাবেক সিনিয়র কেন্দ্র ব্যবস্থাপক। একই মামলার অপর দুই আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁদের খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন, ওই শাখার সিনিয়র কেন্দ্র ব্যবস্থাপক (দ্বিতীয় কর্মকর্তা) সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং শাখা ব্যবস্থাপক মো. আনোয়ার হোসেন পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া ঋণ বিতরণ দেখান। তাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ব্যাংকের ১০ লাখ ১১ হাজার ৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি দুদকের পাবনা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. সাইদুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়ার মধ্য দিয়ে মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তও স্পষ্ট হয়।