
স্টাফ রিপোর্টার বগুড়াঃ
প্রায় ৩ মাস পূর্বে অজ্ঞাতনামা ০২ জন ব্যক্তি মাদ্রাসার জন্য পবিত্র কুরআন শরীফ দান হিসেবে চাইতে নারুয়ামালা এলাকায় বাদী কনিকা আক্তার বাড়িতে আসলে তাদের সাথে বাদীর পরিচয় হয়। ঐ সময় আমি অজ্ঞাতনামা আসামীদের কুরআন শরিফ ক্রয় করার জন্য নগদ ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা বাদী দেয়। কিছুদিন পরে অজ্ঞাতনামা ০২ জন ব্যক্তি তাদের সাথে আরো ০২ জন মাদ্রাসার ছাত্র সঙ্গে নিয়ে পুনরায় বাদীর বাড়িতে এসে মাদ্রাসার ছাত্রদের কাপড় চোপড় কেনার জন্য বাদীর নিকট ২১০০/- টাকা চাইলে বাদী সরল বিশ্বাসে তাদেরকে ২১০০/- টাকা দেয়। গত ইং ০৮/০৮/২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ০৯.৩০ ঘটিকায় গাবতলী থানাধীন নাড়ুয়ামালা ইউপির অন্তর্গত হাপানিয়া গ্রামস্থ বাদী নিজ বসতবাড়ীর শয়ন কক্ষের মধ্যে অজ্ঞাতনামা ০৪ জন প্রতারক এসে বাদীকে অসুস্থ্য বলে তাকে কবিরাজী চিকিৎসা করিতে শুরু করে। অজ্ঞাতনামা প্রতারকরা কবিরাজী চিকিৎসার জন্য প্রথমে তেলপড়া দিয়ে বাদীর শরীরে মালিশ করিতে বলিলে তাদের কথামত তাদের দেওয়া তেলপড়া বাদী তাঁর শরীরে মাখে, তখন অজ্ঞাতনামা প্রতারকরা ঘরের মধ্যে গোলাপ জল ছিটিয়ে বাদীকে সোনার গহনা বের করতে বলে, ঐ সময়ে বাদী অজ্ঞান হয়ে তাদের কথামত স্বর্ণের গহণা তাদের হাতে তুলে দেয়। প্রতারকরা এই গহণা গুলো ০৭ দিনের আগের দেখা যাবে না, যদি ভুল করেও গহণা দেখতে যায় তাহলে কবিরাজী চিকিৎসায় কোন কাজ হবে না বরং তোর সংসারে অনেক ক্ষতি হবে বলে জানায়। ঐ সময়ে প্রতারকরা বাদীর নিকট হতে কবিরাজী চিকিৎসা বাবদ নগদ ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা দেয়।
এরুপ অভিযোগের প্রেক্ষিতে গাবতলী মডেল থানা পুলিশ অদ্য ইং ১৫-০৯-২০২৬ তারিখ ভোর ৪.৩০ মিঃ রংপুর জেলায় বদরগঞ্জ থানার কাজীপুর এলাকা হতে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা ও স্বর্নালংকার আত্বসাতের ঘটনায় ০৩ জন প্রতারককে গ্রেপ্তার করা হয়।
০১। মোঃ শামসুল সরকার @ মন্ত্রী (৩৩) পিতাঃ মোঃ আবু সায়েদ
০২। মোঃ নুরনবী ইসলাম @ নয়ন (২৭) পিতাঃ মোঃ এনামুল হক
০৩। মোঃ শামসুল আলম (২৬) পিতাঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম সাং- কাজীপাড়া থানাঃ বদরগঞ্জ জেলাঃ রংপুর।
আসামীরা পেশাদার প্রতারকচক্র। তারা বিভিন্ন জেলায় গিয়ে মসজিদ ও মাদ্রাসার দানের কথা বলে স্বর্ন ও নগদ টাকা নিয়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা নিজেদের প্রতারণার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।