
পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের ছোট জামালপুর গ্রামে আব্দুল মজিদ খাজা মিয়ার পুকুরে এ ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে খাজা মিয়া তার পুকুরপারে এসে দেখতে পান পুকুরে সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে। এতে তার প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হছে বলে তার দাবি।অভিযোগ উঠেছে, রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পুকুরে বিষাক্ত পদার্থ প্রয়োগ করে। সকালে পুকুরে গিয়ে মাছচাষি দেখতে পান, বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে পানির ওপর ভেসে উঠেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে তারাও ঘটনাস্থলে এসে মৃত মাছ দেখতে পান।
ক্ষতিগ্রস্ত মাছচাষির দাবি, দীর্ঘদিন ধরে পরিশ্রম ও অর্থ ব্যয় করে পুকুরে মাছ চাষ করে আসছিলেন তিনি। মাছগুলো বিক্রির উপযোগী হওয়ার আগেই বিষ প্রয়োগের ঘটনায় তার বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। পূর্বশত্রুতা বা বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এমন ঘটানো হয়েছে বলে তিনি সন্দেহ করছেন।
স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের ঘটনা মাছচাষিদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ক্ষতিগ্রস্ত খাজা মিয়া বলেন, আমি এক বিঘার পুকুরটিতে তারা রুই, মৃগেল, বাটা, তেলাপুইয়া ও সিলভারসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ চাষ করি। পুকুরে প্রায় ৭ থেকে ৮ মণ মাছ ছিল। রাতের আঁধারে শত্রুতা পোষণ করে বিষ প্রয়োগ করায় পুকুরের সব মাছ মরে ভেসে ওঠে।তার দাবি, এর আগেও এমন বিষ প্রযোগের ঘটনায় প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। প্রতিবেশীর সঙ্গে মামলা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার করণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তদন্ত করে পুকুরে মাছ নিধনকারীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, ছোট জামালপুর গ্রামে পুকুরের মাছ মেরে ফেলা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।