
নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের আওতাধীন চার খেয়াঘাটে নির্ধারিত খেয়া পাড়াপাড়ের নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি টাকা আদায় করার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার জেলার তাহিরপুরের চার খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিকার চেয়ে জেলা পরিষদ প্রশাসক নিকট লিখিত অভিযোগ করেন ভোক্তভোগীরা।
সোমবার ভোক্তভোগীদের নিকট থেকে ওই অভিযোগ গ্রহন করেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী সমর পাল।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে,সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ হতে খাস কালেকশান বা ইজারা নেয়ার নামে তাহিরপুরেরমিয়াররচর-পাঠানপাড়া, বিন্নাকুলি-গড়কাটি,লাউড়গড়-মাগি গাঁ,বডগোপি টলা-লাউরগড় খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন গড়ে লক্ষাধিক সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন জেলা শহর সহ অন্যান্য উপজেলাগুলোতে।
ওই এই চার খেয়াঘাটে ঘাটে জেলা পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত জনপ্রতি খেয়া পারাপাড়ের ভাড়া ৪ টাকা। কিন্তু ইজারাপ্রাপ্ত/খাস আদায়ে নিয়োজিতরা বছরের পর বছর ধরে যাত্রী প্রতি ১০ টাকা করে ভাড়া আদায় করছেন জোরপুর্বক।
যা নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে যাত্রী প্রতি অতিরিক্ত ৬ টাকা আদায় করা হচ্ছে। একই কায়দায় ভাড়া নির্ধারিত না থাকার সুবাধে প্রতি মোটরসাইকেল যাত্রী সহ পারাপাড়ে ২০, ৩০, ৫০ টাকাও আদায় করা হচ্ছে। এভাবে যাত্রী, মোটরসাইকেল পারাপাড়ের নামে ওই চার ঘাটে কয়েক লাখ টাকা প্রতিদিন অতিরিক্ত হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে যাত্রীদের হয়রানী করে।
একই অভিযোগে প্রতি খেয়াঘাটে জেলা পরিষদ কতৃক দুশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙ্গানো সহ ৭টি দাবির কথা উল্ল্র্যেখ করা হয়।
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সমর কুমার পাল অভিযোগ প্রাপ্তির তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসককে অভিযোগের বিষয়ে অবহিত করে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সিলেট/সুনামগঞ্জ-১৭-০৮-২৬
সোমবার জেলার তাহিরপুরের চার খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিকার চেয়ে জেলা পরিষদ প্রশাসক নিকট লিখিত অভিযোগ করেন ভোক্তভোগীরা।
সোমবার ভোক্তভোগীদের নিকট থেকে ওই অভিযোগ গ্রহন করেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী সমর পাল।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে,সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ হতে খাস কালেকশান বা ইজারা নেয়ার নামে তাহিরপুরেরমিয়াররচর-পাঠানপাড়া,
ওই এই চার খেয়াঘাটে ঘাটে জেলা পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত জনপ্রতি খেয়া পারাপাড়ের ভাড়া ৪ টাকা। কিন্তু ইজারাপ্রাপ্ত/খাস আদায়ে নিয়োজিতরা বছরের পর বছর ধরে যাত্রী প্রতি ১০ টাকা করে ভাড়া আদায় করছেন জোরপুর্বক।
যা নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে যাত্রী প্রতি অতিরিক্ত ৬ টাকা আদায় করা হচ্ছে। একই কায়দায় ভাড়া নির্ধারিত না থাকার সুবাধে প্রতি মোটরসাইকেল যাত্রী সহ পারাপাড়ে ২০, ৩০, ৫০ টাকাও আদায় করা হচ্ছে। এভাবে যাত্রী, মোটরসাইকেল পারাপাড়ের নামে ওই চার ঘাটে কয়েক লাখ টাকা প্রতিদিন অতিরিক্ত হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে যাত্রীদের হয়রানী করে।
একই অভিযোগে প্রতি খেয়াঘাটে জেলা পরিষদ কতৃক দুশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙ্গানো সহ ৭টি দাবির কথা উল্ল্র্যেখ করা হয়।
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সমর কুমার পাল অভিযোগ প্রাপ্তির তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসককে অভিযোগের বিষয়ে অবহিত করে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সিলেট/সুনামগঞ্জ-১৭-০৮-২৬
ছবি-১: সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর-তাহিরপুর উপজেলার জাদুকাটা নদীতে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েও মিয়ারচর-পাঠানপাড়া খেয়া ঘাটে ঝঁুকি নিয়ে যাত্রীদের খেয়াতরী পারাপাড়-ছবি হাবিব সরোয়ার আজাদ
ছবি-২: ছবি:সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর-তাহিরপুর উপজেলার জাদুকাটা নদীতে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েও বড়গোপ টিলা-লাউরগড় খেয়া ঘাটে ঝঁুকি নিয়ে যাত্রীদের খেয়াতরী পারাপাড়-ছবি হাবিব সরোয়ার আজাদ