
লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি: বান্দরবানের লামা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ২৯৪ নম্বর দরদরী মৌজার হেডম্যানকে জড়িয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত সংবাদে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রকাশিত সংবাদে মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ ও পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলো সঠিকভাবে যাচাই না করে একপাক্ষিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবাদে বলা হয়, পৈতৃক সম্পত্তি, ওয়ারিশ নির্ধারণ, মৃত্যু সনদ কিংবা ওয়ারিশ সনদ প্রদানের মতো বিষয়গুলো নির্দিষ্ট প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও সরকারি নথিপত্রের ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়ে থাকে। কোনো পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা জনপ্রতিনিধিকে দায়ী করার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, রেকর্ডপত্র এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি।
সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ভুক্তভোগী পরিবারের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের পাশাপাশি মৃত্যু ও ওয়ারিশ সনদ নিয়েও অনিয়ম হয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দপ্তর, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেওয়ার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে প্রতিবাদকারীদের দাবি, সংবাদে যেভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ঘটনা ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের পূর্ণাঙ্গ চিত্র উঠে আসেনি। ফলে এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
প্রতিবাদে আরও বলা হয়, কোনো সনদ নিয়ে আপত্তি থাকলে সেটি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে যাচাই করার সুযোগ রয়েছে। একইভাবে সম্পত্তির মালিকানা বা ওয়ারিশ সংক্রান্ত বিরোধ থাকলে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি করা যেতে পারে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই কোনো অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে প্রচার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলেন, “আমরা কোনো তদন্ত বা সত্য উদঘাটনের বিরুদ্ধে নই। বরং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ এবং সরকারি রেকর্ড পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা জনগণের সামনে তুলে ধরা হোক।”
এদিকে, প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের কাছে প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদটি পুনরায় যাচাই-বাছাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানানো হয়েছে।
প্রতিবাদকারীরা আরও জানান, কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর কিংবা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রচার করে সামাজিকভাবে হেয় করা হলে প্রয়োজনে তারা প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করেন।