👁 497 Views

ছবির এই দুইজনের সামনে একটা ৭ বছরের বাচ্চাকে কল্পনা করেন। শারীরিক পার্থক্যটা দেখেন।।

 

সাভার ঢাকা থেকে স্টাফ রিপোর্টারঃ

ছবির এই দুইজনের সামনে একটা ৭ বছরের বাচ্চাকে কল্পনা করেন। শারীরিক পার্থক্যটা দেখেন। মনে হবে দৈত্য-দানবের সামনে একটা অসহায় শিশু দাঁড়িয়ে আছে। অথচ এই অসহায় শিশুটাকেই ওরা টানা ৬ মাস ধরে বলাৎকার করেছে।

প্রথমে সিনিয়র ছাত্ররা করেছে। বাচ্চাটা ভয়ে, কাঁপতে কাঁপতে নিরাপত্তার জন্য ছুটে গেছে হুজুরের কাছে। যে হুজুর তাকে রক্ষা করবে, সেই জাবের হুজুরই এবার তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। বাচ্চাটা সাক্ষাৎকারে বলেছে, হুজুর যখন এই কাজটা করতো, তার পা গড়িয়ে রক্ত পড়তো।

বলাৎকার করার পর হুজুর কোরআন ছুঁইয়ে শপথ করিয়েছে, যাতে এই ঘটনা কাউকে না বলে। জাস্ট ইমাজিন… কওমে লূতের পাপ করে তুমি কোরআন ছোঁয়াচ্ছো একটা বাচ্চাকে, এই পাপ ঢেকে রাখার জন্য! বাচ্চাটাকে বলা হয়েছে, যদি সে কাউকে বলে, তাহলে সে কখনো কোরআনের হাফেজ হতে পারবে না।

টানা ৬ মাস এই নরক সহ্য করতে না পেরে বাচ্চাটা ২৫ লাইনের একটা চিঠি লিখে মা’কে সব বলে দেয়। বাবা যখন হুজুরের কাছে বিচার দিতে যায়, হুজুর বেত হাতে বাচ্চাটাকে মারতে যায় – “তুই সবাইকে বলে দিয়েছিস?”

আজ সাংবাদিক গেলে, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের এক বৃদ্ধ সাংবাদিককে বলে, “এক মুসলিম আরেক মুসলিমের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখে। আপনারা এসব খবর প্রচার কইরেন না।

যে পাপের জন্য আল্লাহ কওমে লূতের পুরো সম্প্রদায়ের উপর পাথর বৃষ্টি বর্ষণ করে, পুরো বসতি উল্টে দিয়েছিলেন — সেই পাপ এরা গোপন করতে বলে?

*ঘটনাস্থল: মারকাযুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ মাদ্রাসা, পূর্ব শাহীবাগ, কাশিমনগর, সাভার, ঢাকা। (সাভার মডেল থানা)

*আপডেট: এই ঘটনায় অভিযুক্ত ৫ জনকেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। মামলাটি সাভার মডেল থানায় চলমান।

আমি কওমী মাদ্রাসা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার পক্ষে না। কিন্তু সরকারের এই দিকে খুব দ্রুত নজর দেওয়া উচিত। সংস্কার দরকার।

কনসার্ন হওয়া উচিত পরিবারগুলোর — কওমী মাদ্রাসায় আপনার যে ছেলেটা ৬ মাস ধরে যোগাযোগহীন হয়ে আছে, সে আসলেই কেমন আছে? বাড়িতে আসলে সে কেন মাদ্রাসায় যেতে চায় না… তাকে জিজ্ঞেস করা দরকার।।
(সংগ্রহীত)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *