👁 474 Views

শজিমেকে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ, স্বজনদের মারধরে’র ঘটনায় এজাহার।।

স্টাফ রিপোর্টার বগুড়াঃ

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় আব্দুল মালেক নামে এক রোগীর মৃ-ত্যু-র অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে হাসপাতালের চিকিৎসকদের কথাকাটাকাটির পর মা’র-ধ-রে’র অভিযোগে বগুড়া সদর থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বগুড়া সদর থানায় এজাহারটি দায়ের করেন ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার মোছা. নাজনীন আক্তার (৪৫)। এজাহারে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মো. আনোয়ার হোসেন (৪৫) এবং অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৪০ জন ইন্টার্ন চিকিৎসককে আসামি করা হয়েছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে সদর উপজেলার রাজাপুর এলাকার আব্দুল মালেক শজিমেক হাসপাতালের সপ্তম তলার মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা-রা যান। পরিবারের অভিযোগ, মালেককে অন্য রোগীর ইনজেকশন দেওয়ার কারণে ভুল চিকিৎসায় তাঁর মৃ-ত্যু হয়েছে।

মালেকের মৃ’ত-দে’হ নিতে তাঁর নাতি মনির হোসেনসহ প্রান্ত ইসলাম, নাফিউল ইসলাম, রাকিবুল ইসলাম রাকিব, এসএম শিহাব ও তানবিন শেখ হাসপাতালে যান। সেখানে মৃ-ত্যু-র কারণ নিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে তাদের কথাকাটাকাটি হয়।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, একপর্যায়ে আনোয়ার হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৪০ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক তাদের ওপর হামলা চালান। এ সময় স্যালাইনের লোহার স্ট্যান্ড, এসএস পাইপ, কাঠের বাটাম ও কাঠের চেয়ার দিয়ে মা’র-ধ’র করা হয়।

এতে প্রান্ত ইসলামের বাম পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুল ও ডান হাতের কনিষ্ঠা ও অনামিকা আঙুলে আঘাত এবং নাকে রক্তাক্ত জখম হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া নাফিউলের মাথায় গুরুতর র-ক্তা-ক্ত জখম এবং দুই চোখে আ-ঘা-তে-র অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে ডিউটিরত পুলিশ ও রোগীর স্বজনরা এগিয়ে এসে আ’হ-ত-দে’র উদ্ধার করেন। তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একই সময় তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি কক্ষে নিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন বাদী।

এ ঘটনায় মোছা. মনিকা ও মোছা. লাকী বেগমসহ কয়েকজনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

তবে রোগীর মৃ-ত্যু-র ঘটনায় ভুল চিকিৎসার অভিযোগ এবং স্বজনদের মা’র-ধ-রে’র বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান ভুল চিকিৎসাই রোগীর মৃ-ত্যু হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *