
পলাশবাড়ী প্রতিনিধিঃ পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের নলডাঙা তেকানী গ্রামের সীমানা ঘেঁষে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদীর ঋষিঘাটের পশ্চিমে চাউলডুবা ও পোড়াদহ বিলের পানি নেমে যাওয়ার নালার উপর কাশিয়াবাড়ী থেকে রানীগঞ্জ যাওয়ার জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় কাঠের সাঁকোর ওপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশা মানুষ চলাচল করছে।
ভোগান্তির যেন শেষ নাই।এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী, এখানে একটি দ্রুত ব্রীজ নির্মাণ করা হলে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রী,কৃষক,ব্যবসায়ীসহ,
বিভিন্ন শ্রেনী পেশা মানুষের যাতায়াতে ভোগান্তি কমে যাবে।
সরেজমিনে জানা যায়, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের নলডাঙা তেকানী গ্রামের সীমানা ঘেঁষে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদীর ঋষিঘাটের পশ্চিমে চাউলডুবা ও পোড়াদহ বিলের পানি নেমে যাওয়ার নালা উপর কাশিয়াবাড়ী থেকে রানীগঞ্জ যাওয়ার সংযোগ রাস্তাটির উপর প্রায় ১০ বছর পুর্বে একটি ব্রীজ নির্মাণ করা হলে সময়ের ব্যবধানে ব্রীজটির মাঝখানে দুমড়ে মুচড়ে ভেঙে গেলে ব্রীজটি ভেঙে ফেলা হয়।
পরে পথচারী ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশা মানুষের যাতায়াত লাঘবে
এলাকাবাসীর উদ্যোগে একটি কাঠের সাঁকো নির্মান করা হয়।সাঁকো তো নয় দেখলে মনে হবে মরন ফাদ।প্রতিনিয়ত সাকোতে চলাচলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। নড়েবড়ে কাঠের সাকোর ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে আসছে অন্তত ২০ গ্রামের এপারের কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের নলডাঙা,তেকানী,চকবালা,কাশিয়াবা
নড়েবড়ে সাকোর ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করা বিভিন্ন শ্রেনি পেশা মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নাই। সাকোটি ঝুঁকিপুর্ণ হওয়ায় যেকোন মুহুর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।
ভাঙা নড়েবড়ে সাকোর ওপর দিয়ে প্রতিনিয়নত অসংখ্য ছাত্রছাত্রী,কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে করছে ভ্যান, রিকশা, বাইক, সাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহন।
একটি ব্রীজ অভাবে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নাই। দৈনন্দিন যাতায়াত করা স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্র/ছাত্রী,ব্যবসায়ী,চাকুরীজী
এলাকাবাসীর দূর্ভোগ লাঘবে একটি ব্রীজ নির্মাণের।ব্রীজটি নির্মাণ হলে এলাকাবাসীর যাতায়াত ব্যবস্থা অত্যন্ত সহজ হবে
ছবিটা